বাসস

অন্তর্বর্তী সরকার নতুন চারটি অধ্যাদেশের খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকে এসব খসড়া অনুমোদিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও জবাবদিহিতামূলক করতে এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে আইনি কাঠামো আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে এই অধ্যাদেশগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে বৈঠক-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়।
অনুমোদিত চারটি অধ্যাদেশ হলো—
১. দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫
দুর্নীতি দমন কমিশনের কার্যক্রম আরও কার্যকর করা এবং তদন্ত প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বাড়ানো এই সংশোধনের মূল লক্ষ্য বলে জানা গেছে।
২. মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন অধ্যাদেশ ২০২৫
মানবপাচার রোধ, অপরাধীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিতকরণ এবং ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এই নতুন আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে।
৩. রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) অধ্যাদেশ ২০২৫
নগর পরিকল্পনা, ভূমি ব্যবস্থাপনা ও নির্মাণ কাজে রাজউকের ভূমিকা সুসংগঠিত ও আধুনিক করতে এই অধ্যাদেশ আনা হয়েছে।
৪. জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ ২০২৫
মানবাধিকার সুরক্ষা, পর্যবেক্ষণ ও তদন্ত কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করতে এই অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বৈঠক শেষে জানানো হয়, এসব অধ্যাদেশ শিগগিরই গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে। এরপরই এগুলো কার্যকর হবে এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন আইনি কাঠামোর আওতায় তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
প্রশাসন, দুর্নীতি প্রতিরোধ, মানবাধিকার ও নগর ব্যবস্থাপনা—সব ক্ষেত্রেই এই অধ্যাদেশগুলো নীতিগত পরিবর্তন ও আধুনিকায়নের একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


