আদালত প্রতিবেদক

রায়ের সারমর্ম
-
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর ২০২৫) Anti-Corruption Commission (ACC) দ্বারা দায়েরকৃত ৩ টি দুর্নীতি মামলায় — Purbachal New Town Project-এ ৩০ কাঠা সরকারি জমি অনৈতিকভাবে বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে — আদালত RAJUK’র ভূমি বরাদ্দের সিদ্ধান্তকে বেআইনি বলে চিহ্নিত করেছে।
-
বিচারক Mohammad Abdullah Al Mamun বিবেচনায় থাকাকালীন, তিন মামলায় প্রতিটি মামলায় ৭ বছরের সাজা ঘোষণা করে মোট ২১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। J
-
মামলাগুলোর অন্যতম অভিযোগ — ক্ষমতার অপব্যবহার করে রিয়েল-এস্টেট সংক্রান্ত সরকারি নীতিমালা ভঙ্গ করে জমি দখল। অভিযোগ অনুযায়ী, জমি বরাদ্দে আর্থিক ও গঠনগত অনিয়ম ঘটিয়েছেন।
মামলার পটভূমি ও বিচার-প্রক্রিয়া
-
এই ৩টি মামলা ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ACC দায়ের করেছিল।
-
মামলায় মোট ৪৭ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল, যাদের মধ্যে ২৩ জন ব্যক্তিগতভাবে নাম রয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে ছিলেন রিয়েল-এাস্টেট ও সরকারি ভূমি ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট সাবেক কর্মকর্তা এবং সরকারের ভূমি বরাদ্দ প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্টেরা।
-
RAJUK–র ভূমি বরাদ্দ নীতিমালা অনুযায়ী, ওই জমির বরাদ্দ পাওয়া উচিত ছিল না। আদালত মনে করে, বরাদ্দ প্রক্রিয়া ছিল “অবৈধ ও ক্ষমতার অপব্যবহার”।
-
রায় ঘোষণার সময় হাজির ছিলেন না শেখ হাসিনা অথবা অন্য অভিযুক্তরা; তারা বিদেশি পলায়নকারী হিসেবে গৃহীত। ফলে, রায় শুনানি absentia — অনুপস্থিতিকালীনভাবে।
প্রতিক্রিয়া ও পরিপ্রেক্ষিত
-
ACC-এর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই রায় দেখিয়েছে— কারও জন্যই সরকারি সম্পদ দখল বা অনিয়ম মেনে নেওয়া হবে না।
-
অন্যদিকে, সংশ্নিষ্ঠ ব্যক্তি ও সমর্থকেরা— বিশেষ করে অভিযুক্তদের পরিবার— রায়কে রাজনৈতিক রঙ্গ (politically motivated) বলে অভিহিত করার সম্ভাবনা রয়েছে। (তবে, মামলা ও রায়ের নিমিত্তে আদালতের বক্তব্য এবং নির্দিষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে বিচার হয়েছে)।
-
রাজনৈতিকভাবে, এই রায় এবং সমসাময়িক অন্যান্য মামলার রায় (যেমন মানবাধিকার, গণঅভিযোগ,student uprising-সম্পর্কিত) এককভাবে ঘটছে; তাই আগামী দিনগুলোতে দেশজুড়ে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া এবং জন প্রতিক্রিয়া বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
শুধু ক্ষমতার অপব্যবহার নয় — ৩০ কাঠা সরকারি জমিতে ষড়যন্ত্র: আদালত ২১ বছরের সাজা
ঢাকা, ২৭ নভেম্বর ২০২৫ — আজ Dhaka Special Judge Court-5 ৩টি দুর্নীতি মামলায় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ২১ বছরের কারাদণ্ড ঘোষণা করেছে। মামলাগুলো ছিল Purbachal New Town Project-তে ৩০ কাঠা সরকারি জমি অনৈতিকভাবে বরাদ্দ নেওয়ার বিরুদ্ধে। বিচারক Mohammad Abdullah Al Mamun বলেছেন, ভু্ি বরাদ্দ প্রক্রিয়া ছিল প্রশাসনিক নীতি ও ন্যায্যতার পরিপন্থী; এটি ছিল এক গোপন ষড়যন্ত্র।
মামলাগুলোর সূত্র অনুযায়ী, সরকারিভাবে জমি বরাদ্দ পাওয়ার যোগ্য না হলেও, বরাদ্দ সম্মতিপত্র দেয়া হয়েছিল। অভিযুক্তদের মধ্যে ছিলেন রিয়েল-এাস্টেট ও ভূমি ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। মামলার অভিযোগ ছিল, ক্ষমতার অপব্যবহার করে জমি দখল, আর্থিক অনিয়ম এবং রাষ্ট্রীয় নীতিমালা লঙ্ঘন।
রায় ঘোষণার সময় শেখ হাসিনা আদালতে হাজির ছিলেন না; ফলে রায় হলো অনুপস্থিতিকালীনভাবে। অন্য অভিযুক্তদেরও এমনভাবে সাজা দিয়েছে আদালত। রাষ্ট্রীয় তদন্তকারী সংস্থা Anti-Corruption Commission (ACC) একে “নির্ণায়ক পদক্ষেপ” বলেছে, অন্যদিকে বিবিধ রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক রায়কে সমালোচনামূলকভাবে দেখছে।
আগামী দিনে রায়কে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া, জনমত এবং আইনগত আপিল-আন্দোলনের সম্ভাবনা রয়েছে।


