
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর নীতি বিবর্জিত কলাকৌশলের কারণে বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে। ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, উত্তরা ১৪ নং সেক্টর নিবাসী মেজর বোরহান উদ্দিন আলিফ কমার্স এন্ড ফাইন্যান্স লিমিটেড নামে এলএমএফ কোম্পানির তথাকথিত চেয়ারম্যান ও পরিচালকবৃন্দ কর্তৃক তার বিনিয়োগকৃত প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা অনেক দেন-দরবার করেও আদায় করতে ব্যর্থ হয়ে ঢাকার বিজ্ঞ সিএমএম আদালতে (আমলী আদালত নং-১৫) সিআর মামলা রুজু করেন। সিআর মামলা নং-৩০৪/২০১৯।
আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআই এর নিকট প্রেরণ করেন। পিবিআই এর পুলিশ পরিদর্শক মোঃ নুরুন্নবী দীর্ঘ তদন্তের পর ১৮ পৃষ্ঠার একটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। আদালত উক্ত প্রতিবেদনের উপর উভয়পক্ষের শুনানি গ্রহণ না করে বিষয়টি পুনরায় তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) প্রেরণ করেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা উক্ত বিষয়ে ছয় বৎসরের অধিক সময় কোন প্রকার তদন্ত না করে তদন্তের নামে কালক্ষেপণ করে আসছে। অদ্যাবধি বিজ্ঞ স্পেশাল জজ আদালত কিংবা উক্ত আমলী আদালতে কোন তদন্ত প্রতিবেদন বা নথি প্রেরণ করেনি।
বর্তমানে উক্ত সিআর মামলার আসামীগন প্রকাশ্যে বলে বেড়াচ্ছেন “মামলাটি কোনদিন আর আলোর মুখ দেখবে না। তারা বলে বেড়াচ্ছেন, ওই মামলার নথি দুদকে মাটি চাপা দিয়ে রেখেছি।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়িত্বহীনতা উপলব্ধি করে ভুক্তভোগীরাও আশঙ্কা করছেন, সিআর ৩০৪/২০১৯ মামলা আর কোনদিন আলোর মুখ দেখবে না।
ভুক্তভোগীরা বলছেন, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কি এন্টি করাপশন নাকি মাল্টি করাপশন? দুদকের তদন্তের নামে দীর্ঘ সুত্রিতার কারণে ‘বিচারের বাণী নিরবে নিভৃতে কাঁদে’ বলে যে প্রবাদ বাক্য প্রচলিত আছে তা বাস্তবতায় রূপ নিতে যাচ্ছে।
সূত্র : ডিএম সরকার, নিউজ ভোরের আলো।


