অনলাইন ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেডে একজন ৪২ বছর বয়সী ভারতীয় বংশোদ্ভূত মানুষ বিক্রান্ত ঠাকুর আদালতে স্বীকার করেছেন যে তিনি নিজের স্ত্রী সুপ্রিয়া ঠাকুরকে মারা ফেলেছেন, কিন্তু তিনি নিজেকে খুন (murder) করেননি বলে দাবি করেছেন। তাকে স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় মার্ডারের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে, কিন্তু নিজে বলেছেন এটি ইচ্ছাকৃত খুন ছিল না, বরং অনিচ্ছাকৃত ঘটনার কারণে মৃত্যু ঘটে — আইনি ভাষায় এটিকে ম্যানস্লটার (manslaughter) বলা হয়।
মূল ফিন্ডিং পয়েন্টগুলো:
-
বিক্রান্ত ঠাকুর আদালতে বলেছেন, “আমি অনিচ্ছাকৃত মৃত্যুর দায় স্বীকার করি, খুনের (murder) দায় নই।”
-
এই অবস্থানে তিনি আইনজীবীর পরামর্শমতো শুনানিতে অংশগ্রহণ করেছেন।
-
মামলা ২০২৫ সালের ডিসেম্বর ২১ তারিখে ঘটে; পুলিশ স্ট্রাইক কল পাওয়ার পর ভিক্রান্তের ঘরে গিয়ে সুপ্রিয়া অসচেতন অবস্থায় পায় এবং চিকিৎসা সত্ত্বেও মারা যান।
-
প্রথম শুনানিতে জামিনের আবেদন করা হয়নি এবং প্রমাণাদি (যেমন পোস্ট-মর্টেম, ডিএনএ) সংগ্রহের জন্য বিচার মুলতবি হয়ে গেছে।
-
মামলার পরবর্তী কার্যক্রম নিরাপত্তা ও প্রমাণাদি সংগ্রহের পর অ্যাপ্রিল মাসে আবার শোনা হবে।
আইনি ব্যাখ্যা:
▫ মার্ডার (Murder) — পূর্বপরিকল্পিত বা ইচ্ছাকৃত হত্যাকাণ্ড।
▫ ম্যানস্লটার (Manslaughter) — কোনো ইচ্ছাকৃত উদ্দেশ্য ছাড়াই এমন কাজ যা মৃত্যুর কারণ হয়।
পরিবার ও সম্প্রদায়ের প্রেক্ষাপট
-
নিহত সুপ্রিয়া ঠাকুর (৩৬) একজন নিবেদিতপ্রাণ মা ও ভবিষ্যতে নিবন্ধিত নার্স হওয়ার স্বপ্ন দেখা ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
-
তার একমাত্র ছেলের ভবিষ্যতের জন্য বিভিন্ন কমিউনিটি সদস্যরা তহবিল সংগ্রহ শুরু করেছেন।


