অনলাইন প্রতিবেদক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য জোটের মধ্যে আসন ভাগাভাগি চূড়ান্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, সমঝোতার ভিত্তিতে জোটের শরিক দলগুলোর মধ্যে আসন বণ্টন নির্ধারণ করা হয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১৭৯টি আসনে নির্বাচন করবে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পাবে ৩০টি আসন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি এবং খেলাফত মজলিস ১০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।
এছাড়া লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ৭টি, এবি পার্টি ৩টি, বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক পার্টি (বিডিপি) ২টি এবং নেজামে ইসলাম পার্টি ২টি আসনে প্রার্থী দেবে বলে জানান তিনি।
তবে কিছু আসনে এখনও জটিলতা রয়েছে উল্লেখ করে সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, “কয়েকটি আসনে সমস্যা আছে। মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময়সীমার আগে এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ ও এহসানুল মাহবুব জোবায়ের, এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, বিডিপির চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চাঁদ, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমাদ আবদুল কাদের, জাগপার মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, নেজামে ইসলাম পার্টির আনোয়ারুল হক এবং সাবেক স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ জোটের শীর্ষ নেতারা।
জোট নেতারা আশা প্রকাশ করেন, এই আসন সমঝোতার মাধ্যমে নির্বাচনে প্রতিযোগিতা আরও শক্তিশালী হবে এবং জনগণের সামনে একটি বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে ১১ দলীয় ঐক্য জোট নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে পারবে।


