অনলাইন ডেস্ক

রোববার (১৫ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন শেষে বিরোধী দল আশা প্রকাশ করেছে, সংবিধান সংস্কার পরিষদ সংক্রান্ত চলমান সংকটের সমাধান দেশের আইনপ্রণেতাদের ভেতরে হওয়া উচিত। তবে সংসদের ভেতর সমাধান না হলে রাজপথে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
সংবাদকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “সরকার গঠনের পর সংসদের অধিবেশন ডাকা হলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন এখনো আহ্বান করা হয়নি। প্রথম দিন সময় স্বল্পতার কারণে আমরা একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে ওয়াকআউট করেছিলাম। দ্বিতীয় দিনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে আবার বিষয়টি উত্থাপন করেছি। তবে তা এখনও গ্রহণযোগ্যভাবে বিবেচিত হয়নি।”
তিনি আরও জানান, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ পুরোপুরি সংসদে পড়ে শোনা হয়েছে। বিরোধী দল শপথ নেওয়া সদস্যদের ভবিষ্যৎ, যারা এখনো শপথ নেননি তারা কখন শপথ নেবেন এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন কখন ডাকা হবে—এসব বিষয়ে স্পষ্টতা চেয়েছে। এছাড়া গণভোটের ফলাফল মানা হবে কি না, সেটিও জানতে চাওয়া হয়েছে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “পয়েন্ট অব অর্ডারে এসব বিষয় উত্থাপন করলে স্পিকার জানিয়েছেন, নোটিশ দিলে তা বিবেচনা করা হবে। আমরা সংসদের ভেতরেই সমস্যার সমাধান চাওয়ার উদ্যোগ নেব। তবে যদি সেখানে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন না ঘটে, তখন রাজপথে আন্দোলনের পথে যেতে হবে।”
সংবিধানের ২০২৬ সালের ভোট সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি উল্লেখ করেন, “একই প্রেসিডেনশিয়াল অর্ডারের মাধ্যমে কিছু সিদ্ধান্ত মানা হবে আর কিছু মানা হবে না—এটি গ্রহণযোগ্য নয়। মানলে সব মানতে হবে, আর না মানলে কোনো কিছুই মানা যাবে না। গণভোটের মাধ্যমে নেওয়া রায়ই সর্বোচ্চ সংবিধান।”
বিরোধী দলের দাবি ছিল আগে গণভোট আয়োজন করা হোক, আর সরকারের দাবিতে একই দিনে তা করা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত সরকারের প্রস্তাব বাস্তবায়ন হয়েছে, তবুও বিরোধী দল সংসদের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান চায়।


