নিজস্ব প্রতিবেদক

সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় অর্থের অপব্যবহারের অভিযোগে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে থাকা অবস্থায় ব্যক্তিগত আরাম-আয়েশের জন্য সরকারি অর্থ ব্যয়ের অভিযোগই মূলত দুদকের অনুসন্ধানের কেন্দ্রবিন্দু।
রবিবার দুদক প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে কমিশনের মহাপরিচালক (অনুসন্ধান) আক্তার হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
২৪ কোটি টাকার ক্ষতির অভিযোগ
দুদক জানায়, রাষ্ট্রপতি থাকাকালে আবদুল হামিদ ঢাকার নিকুঞ্জ-১ আবাসিক এলাকায় নিজের ভবন সংলগ্ন এলাকায় “সাজসজ্জা ও সৌন্দর্যবর্ধন” প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে রাষ্ট্রের প্রায় ২৪ কোটি টাকার ক্ষতি সাধন করেছেন—এমন অভিযোগ তারা পেয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, প্রকল্পের কাজগুলো ছিল মূলত ব্যক্তিগত সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে বাস্তবায়িত, যা সরকারি বিধিবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং ক্ষমতার অপব্যবহার হিসেবে গণ্য হতে পারে।
অভিযোগ যাচাই-বাছাই শেষে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত
দুদক মহাপরিচালক আক্তার হোসেন বলেন—
“অভিযোগ প্রাপ্তির পর তা যাচাই-বাছাই করে প্রাথমিকভাবে আমলে নেওয়া হয়েছে। কমিশন বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধান শুরুর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।”
তিনি আরও জানান, এ সংক্রান্ত একটি বিস্তারিত প্রাথমিক প্রতিবেদন ইতোমধ্যে কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে, এবং পরবর্তী ধাপ হিসেবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, প্রকল্পের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরের নথিপত্র সংগ্রহ করা হবে।
পরবর্তী পদক্ষেপ
দুদক সূত্র জানায়,
-
প্রকল্পের অনুমোদন প্রক্রিয়া
-
সরকারি অর্থ ছাড়ের নথি
-
কাজের ধরন ও ব্যয়ের যৌক্তিকতা
-
সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সিদ্ধান্ত
এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হবে। প্রমাণ মিললে আনুষ্ঠানিকভাবে মামলা করার প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।


