অনলাইন ডেস্ক

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা সাময়িকভাবে তাদের চলমান কর্মবিরতি স্থগিত করে পুনরায় বার্ষিক পরীক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) রাতে বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি (বাসমাশিস) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিনের দাবি আদায়ের অংশ হিসেবে শিক্ষকরা কর্মবিরতিতে থাকলেও শিক্ষার্থীদের অ্যাকাডেমিক পড়াশোনার ধারাবাহিকতা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। বিশেষ করে বার্ষিক পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের全年 শিক্ষাবর্ষের মূল্যায়নের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ—এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই শিক্ষকরা কর্মবিরতি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
বাসমাশিসের পক্ষ থেকে বলা হয়, বার্ষিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের শেখার অগ্রগতি যাচাইয়ের সুযোগ পাবে এবং শ্রেণি উত্তরণের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের জটিলতা বা বিলম্ব তৈরি হবে না। একইসঙ্গে সংগঠনটি আশা প্রকাশ করেছে, শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ালেও সরকার তাদের ন্যায্য দাবি ও সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের দিকে অগ্রসর হবে।
শিক্ষা খাত–সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পরীক্ষাকেন্দ্রিক এই সিদ্ধান্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনবে এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল তা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করবে। তবে আন্দোলন সাময়িক স্থগিত হওয়ায় শিক্ষকরা পরবর্তী সময়ে তাদের দাবি বাস্তবায়নের অগ্রগতির ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারণ করতে পারেন।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবক মহলে স্বস্তির বাতাস বইছে, কারণ বার্ষিক পরীক্ষায় বিঘ্নের আশঙ্কা এখন দূর হয়েছে। শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক ধারায় ফিরতে শুরু করায় বিদ্যালয়গুলোতে পরীক্ষার প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা কাজও জোরদার করা হয়েছে।
-
বাসমাশিস কর্মবিরতি সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে।
-
বার্ষিক পরীক্ষায় শিক্ষকরা অংশ নিচ্ছেন—শিক্ষার্থীদের স্বার্থ বিবেচনায়।
-
শিক্ষার্থীদের অ্যাকাডেমিক ধারাবাহিকতা রক্ষাই সিদ্ধান্তের প্রধান কারণ।
-
সমিতি আশা করছে, সরকার শিক্ষক-কর্মচারীদের দাবি দ্রুত সমাধান করবে।


