অনলাইন ডেস্ক

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সরকার তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে। রাষ্ট্রীয় শোক চলাকালে দেশজুড়ে সকল সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হচ্ছে।
রাষ্ট্রীয় শোকের পাশাপাশি বিএনপি দলীয়ভাবে সাত দিনের শোক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দেশের সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের দলীয় কার্যালয়ে কালো পতাকা উত্তোলন এবং দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুর থেকেই রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয় এবং নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়। একই সঙ্গে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে।
বিএনপির পক্ষ থেকে সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ আনুষ্ঠানিকভাবে সাত দিনের শোক কর্মসূচি ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে সংশোধিত কর্মসূচি অনুযায়ী দলের সকল পর্যায়ে শোক পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
ঘোষিত কর্মসূচির আওতায় বিএনপি দেশের সব পর্যায়ে সাত দিনব্যাপী শোক পালন করবে। রাষ্ট্রীয় শোকের সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ২ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। এ সময়ে দেশের সকল দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে এবং কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে।
এছাড়া কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারাদেশের সকল দলীয় কার্যালয়ে সাত দিনব্যাপী কালো পতাকা উত্তোলন ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। দলের সকল স্তরের নেতাকর্মীদের কালো ব্যাজ ধারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শোক কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতিটি দলীয় কার্যালয়ে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় সাত দিনব্যাপী কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয়ভাবে গুলশানস্থ বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়, নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় এবং জেলা পর্যায়ের দলীয় কার্যালোগুলোতে শোকবই খোলা হবে, যেখানে দলীয় নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শোক ও সমবেদনা জানাতে পারবেন।
বিএনপির নেতারা জানিয়েছেন, দলীয় এই শোক কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বেগম খালেদা জিয়ার অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হবে।


