বিডিরিপোর্টস২৪ ডেস্ক

জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে মুন্সিগঞ্জ সদর আসন ও গোপালগঞ্জ-২ আসনে পৃথক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে এবং প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে ভীতি ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাগুলো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মুন্সিগঞ্জে ককটেল হামলা ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
মুন্সিগঞ্জ-৩ (সদর) আসনের মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের মুন্সিকান্দি এলাকায় বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী (ফুটবল প্রতীক) এর নির্বাচনি প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর সমর্থকদের বিরুদ্ধে।
গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনার সূত্রপাত হয় এবং দুপুর পর্যন্ত থেমে থেমে সংঘর্ষ চলতে থাকে। স্থানীয় সূত্র জানায়, ফুটবল প্রতীকের সমর্থকরা ভোট চাইতে গেলে ধানের শীষ প্রার্থীর সমর্থকরা ককটেল নিক্ষেপ ও দেশি অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।
পরে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও হামলার ঘটনা ঘটে। কৃষিজমিতে গোলাগুলির ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে অস্ত্রধারী কয়েকজনকে অবস্থান করতে দেখা গেছে।
মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের আগে থেকেই বিরোধ ছিল। নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় তারা আবার সক্রিয় হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
গোপালগঞ্জে স্বতন্ত্র প্রার্থীকে লক্ষ্য করে গুলির অভিযোগ
অন্যদিকে গোপালগঞ্জ-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সিপন ভূঁইয়ার ওপর গুলি ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার রাত ৮টার দিকে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া নতুন চর ভূঁইয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
সিপন ভূঁইয়া জানান, নির্বাচনি প্রচার শেষে গাড়িভাড়া দেওয়ার টাকা নিতে বাড়িতে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। প্রাণ বাঁচাতে দৌড় দিলে তিনি পড়ে গিয়ে আহত হন। তবে হামলাকারীদের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেননি তিনি।
ঘটনার পর প্রার্থী ও তার সমর্থকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন তারা।
সিপন ভূঁইয়া জানান, তিনি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক এবং গোপালগঞ্জ সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
গোপীনাথপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক মোহাম্মদ মোমেনুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।


