অনলাইন ডেস্ক

রাতের আকাশে নতুন এক অতিথি দেখা মিলছে—ধূমকেতু সি/২০২৪ ই১, যেটি বিজ্ঞানী ও আকাশপ্রেমীদের মধ্যে উৎসাহের জন্ম দিয়েছে। ধূমকেতুটি প্রথম ধরা পড়ে ২০২৪ সালের মার্চ মাসে।
বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, এই ধূমকেতুটি সৌরজগতের একেবারে দূরের অংশ ওর্ট মেঘ থেকে এসেছে। সূর্যের দিকে এগোতে আসার সময় এর বরফ গলতে শুরু করে, ফলে ধূমকেতুর লম্বা উজ্জ্বল লেজ তৈরি হয়। এই লেজই ধূমকেতুকে সহজেই আলাদা করে চিনতে সাহায্য করে।
জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, এই ধূমকেতুর আলোতে কার্বন মনোক্সাইডের পরিমাণ কম। এর মানে, এটি তৈরি হওয়ার সময় এই উপাদান কম ছিল, অথবা ধূমকেতু আগেই এই উপাদান হারিয়ে ফেলেছে।
দক্ষিণ গোলার্ধে বসবাসকারীরা ইতোমধ্যেই ধূমকেতুর ছবি তুলেছেন এবং খোলা আকাশে পরিষ্কার রাতে এটি দেখা গেছে। উত্তর গোলার্ধের দেশগুলোতেও ধীরে ধীরে দেখা মিলবে। বিশেষ করে ১৭ ফেব্রুয়ারি পর, যখন ধূমকেতুটি পৃথিবীর সবচেয়ে কাছাকাছি যাবে।
বাংলাদেশের আকাশ থেকে এটি দেখা যাবে কি না—এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য নেই। তবে যদি আকাশ পরিষ্কার থাকে এবং শহরের কৃত্রিম আলো কম থাকে, ভোর বা গভীর রাতে দূরবীন দিয়ে ধূমকেতুটি পর্যবেক্ষণ করার চেষ্টা করা যেতে পারে। কিছু জায়গায় খালি চোখেও হালকা আলোর ঝিলিক দেখা যেতে পারে।
বিজ্ঞানীরা সতর্ক করছেন: ধূমকেতু দেখার সময় সবসময় নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা প্রয়োজন এবং কোনো ধরণের ক্ষতিকর যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা উচিত নয়।


