ডিজিটাল রিপোর্ট
গত ২৩ নভেম্বর রাতে শ্বাসকষ্ট শুরু হলে খালেদা জিয়াকে রাজধানীর Evercare Hospital-এ ভর্তি করা হয়। পরীক্ষার পর তার ফুসফুসে সংক্রমণ ধরা পড়ে। পরবর্তীতে চিকিৎসা চলাকালীন তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।
চিকিৎসকদের একটি বিশেষজ্ঞ বোর্ড পরামর্শ দিয়েছেন যে — তার বর্তমান অবস্থায় — দেশে ব্যবহৃত চিকিৎসা সেবায় সমাধান সম্ভব নয়। তাই বিদেশে, সুনির্দিষ্টভাবে লন্ডনের একটি উন্নত চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে, কাতার সরকারের ফৌজদারিকা (রয়্যাল) ফ্লিটের একটি এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স খালেদাকে নিতে প্রস্তুত ছিল। তবে, ওই বিমান যান্ত্রিক সমস্যার কারণে ব্যবহারযোগ্য না হওয়ায় — বিকল্প হিসেবে — জার্মানির একটি বেসরকারি/ভাড়া ভিত্তিক এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এই এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সটি আসছে জার্মানি থেকে এবং এতে যাবতীয় খরচ (ভাড়া, লজিস্টিকসহ) বহন করছে কাতার সরকার।
এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সের ঢাকায় অবতরণের সময়: ৬ ডিসেম্বর ২০২৫, বিকেল ৫টা, হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। অবতরণের জন্য প্রয়োজনীয় সব অনুমোদন (ল্যান্ডিং পারমিট ইত্যাদি) ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
খালেদা জিয়ার চিকিৎসা দল, যা আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত, সিদ্ধান্ত দিয়েছে যে, তার শারীরিক জটিলতা এমন যে — বাংলাদেশে উপযুক্ত উন্নত চিকিৎসা সম্ভব নয়। তাই উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডন নেওয়া হবে। লন্ডনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর, কাতার সরকারের সহযোগিতায় এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা শুরু হয়। কাতার সরকারের মাধ্যমে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কাতার দূতাবাসের মুখপাত্র এ তথ্য সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।
এছাড়াও, পরিবারের সদস্যসহ সংশ্লিষ্টরা — দেশ এবং বিদেশের চিকিৎসা-দলে যোগাযোগ রেখে যাচ্ছেন। প্রাথমিক এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স ব্যবহারের সময় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই বিকল্প এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ থেকে বোঝা যায়, বিমান-যাত্রা এবং আকাশপথ-পরিকল্পনায় বিশদ নজর রাখতে হবে। লন্ডন যাত্রার আগে এবং পরে চিকিৎসা, লজিস্টিক ব্যবস্থা, নিরাপত্তা ও পরিচর্যার বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিতে হবে।



