
ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পৃথকভাবে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন ও শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম। এ ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) হামলাকারী এবং নির্দেশদাতাদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করার আলটিমেটাম দিয়েছে।
শুক্রবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ক্যাম্পাসে ‘সন্ত্রাসবিরোধী শিক্ষার্থীবৃন্দ’, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও ডাকসু আলাদা আলাদা কর্মসূচি পালন করে।
ডাকসুর আলটিমেটাম
সন্ধ্যা সাতটার দিকে উপাচার্য চত্বরে অনুষ্ঠিত ডাকসু আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে
ডাকসুর সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) মহিউদ্দিন খান বলেন—
“আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি এবং নির্দেশদাতাদের গ্রেপ্তার করে বিচার কার্যকর করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন,
“যারা এ ধরনের ষড়যন্ত্রে জড়িত, তাদের গ্রেপ্তার করতে সরকার ব্যর্থ হলে এটি প্রমাণিত হবে যে সরকার জনতার নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ।”
ডাকসুর অন্যান্য নেতাদের বক্তব্য
ডাকসুর পরিবহন সম্পাদক আসিফ আবদুল্লাহ বলেন—
“আমরা অন্তর্বর্তী সরকারকে হুঁশিয়ার করে বলতে চাই—যদি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারীদের শনাক্ত করা না হয় এবং পেছনের রাঘববোয়ালদের গ্রেপ্তার করা না হয়, তবে বাংলাদেশে দাবানল জ্বলবে।”
অন্যান্য সংগঠনের কর্মসূচি
এর আগে বিকেলে
-
‘সন্ত্রাসবিরোধী শিক্ষার্থীবৃন্দ’
-
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল
ঢাবি ক্যাম্পাসে আলাদা মিছিল ও সমাবেশ করে হামলার তীব্র নিন্দা জানায় এবং বিচার দাবিতে স্লোগান তোলে।
শরিফ ওসমান হাদি সম্প্রতি ঢাকার রাস্তায় গুলিবিদ্ধ হন। তাঁর মাথায় অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হলেও গুলি শরীরে থেকে যায়নি; মাথায় ঢুকে বেরিয়ে যায়—হাসপাতাল সূত্রে এমনটি জানা গেছে। ঘটনার পর ছাত্রসমাজের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।


