সোহানা খান

আমি কখনোই ধর্মের বিরুদ্ধে কথা বলি না। আমি কোথাও ধর্মের বিরুদ্ধে বলেছি, এমন একটি লাইনও দেখাতে কেউ পারবেন না॥ পৃথিবীর কোন ধর্ম নিয়েই বা ধর্মের বিরুদ্ধে আমার মাথা ব্যাথা নেই॥
আমি কথা বলি-
-শিশু কিশোরীদের বলৎকারীদের বিরুদ্ধে॥
-নারী শিক্ষা বন্ধ করার চক্রান্তকারীদের বিরুদ্ধে॥
-নারী নির্যাতন নিপীড়নকারীদের বিরুদ্ধে।
-শিক্ষার নামে শিশুদের পায়ে শেকল দিয়ে বেঁধে নির্যাতনকারীর বিরুদ্ধে।
-নারীকে ঘরে বন্দী করে সন্তান পয়দার ম্যাশিন বানানোর চক্রান্তকারীদের বিরুদ্ধে।
-নারী অধিকার হরণকারীর বিরুদ্ধে।
-ধর্ম ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে।
-জান্নাতের নকল টিকেট কালোবাজারীদের বিরুদ্ধে।
-১৩ বিয়ের বিরুদ্ধে।
-শিশু কিশোরীদেরকে বিয়ে করা ও দেওয়ার ফতোয়াকারীর বিরুদ্ধে।
-ওয়াজ মাহফিলের নামে ভিন্ন ধর্ম- জাতি- গোষ্ঠীর নামে বদনাম ছড়ানোকারীদের বিরুদ্ধে।
-সহজ সরল মানুষের ব্রেন ওয়াশ করে সমাজে দাঙ্গা হাঙ্গামা লাগানোর জন্য চক্রান্তকারীদের বিরুদ্ধে..॥
-ধর্মের নামে জঙ্গিবাদ ছড়িয়ে দিয়ে পৃথিবীর সুখ শান্তি বিনষ্টকারীর বিরুদ্ধে।
-কুরআনকে ভুলভাল ও অপব্যাখ্যা করে সহজ সরল মানুষকে সন্ত্রাসী তৈরি করার বিরুদ্ধে॥..
-ভিন্ন মতবাদের লোকদেরকে হত্যার হুমকী দেয়ার বিরুদ্ধে।
-নামাজ- কুরআন পড়িয়ে পয়সা নেওয়ার বিরুদ্ধে, যা আল্লাহ কুরআনে হারাম করেছেন॥
-ধর্মের লেবাসে হারামখোর- মদখোর- জুয়াখোর- জেনাকারী- লুটেরাদের পকেটের টাকা আর তাদের বাড়ি থেকে টিফিন ক্যারিয়ার ভরে আসা খাবার খাওয়া প্রতারক মোল্লাদের বিরুদ্ধে, ধর্মের নাম দিয়ে ধান্দা করে পেট চালানোর বিরুদ্ধে, যা ইসলামে হারাম করা হয়েছে॥
-হাজার হাজার মানুষের সামনে বসে কুরআন- হাদিসের নামে মিথ্যাচারকারীদের বিরুদ্ধে,
-কুরআনকে ভুলভাল, উল্টাপাল্টা অপব্যাখ্যাকারীদের বিরুদ্ধে।
-যেই নারীরা ১২ মাস হিজাব দিয়ে মস্তিষ্ক ঢেকে রাখে অথচ এক ওয়াক্ত নামাজ পরে না, তার বিরুদ্ধে।
এমন আরো অনেক বিষয় রয়েছে যার বিরুদ্ধে আমার কথা বলা অব্যাহত থাকবে॥
এই নিয়ে বদমাশ মোল্লাদের অসংখ্য জঙ্গি মুরিদরা আমার কমেন্ট বক্সে অথবা আমার ইনবক্সে এসে কল্লাকাটা হত্যাসহ নানাবিধ হুমকী ধামকী দিয়ে মেসেজ লেখে, আর এগুলো আমি পড়ি আর হাসি ॥
যদিও আমি কিছু বলি না॥ আমাকে যারা ব্যাক্তিগত ভাবে চেনেন তারা জানেন, আমি কোন দূর্বল মানুষ নই॥
অতএব আমাকে ছোঁয়া সহজ কোন কাজ নয়॥ আমার কাছে ইঁদুর বাঁদুর আর জঙ্গিদের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই॥
অনেক ভদ্রবেশীরা বলেন, কুকুর পায়ে কামড় দিলে তো আর কুকুরের পায়ে কামড় দিতে পারি না॥ আর আমাকে কোন শুয়োরে পায়ে কামড় দিলে আমি শুয়োরের ঘাড়ে কামড় দেওয়ার মানুষ॥
সোশ্যাল মিডিয়ায় এভাবে কথা বলার জন্যে আমি দুঃখ প্রকাশ করছি, আমার ধৈর্য্যের বাঁধ আসলেই ওরা ভেঙে ফেলেছে॥


