অনলাইন ডেস্ক

মাওলানা মুহাম্মদ আহসান নানুতুবীর জীবনী গ্রন্থ লিখেছিলেন মুহাম্মদ আইউব কাদিরী। দেওবন্দ মাদ্রাসাকে নিয়ে ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থার একটি প্রতিবেদনের কথা এ গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়েছে। http://goo.glfFc8gp এ ওয়েব লিংকে প্রতিবেদন সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়।
ব্রিটিশ গোয়েন্দার নাম ছিল পামার (John Palmer)। লেফটেনেন্ট গভর্ণর তাকে নিয়োগ করেছিলেন দেওবন্দ দারুল উলুম মাদ্রাসা সম্পর্কে অনুন্ধানী রিপোর্ট পেশ করার জন্য। এ গোয়েন্দো অফিসার ব্রিটিশ সরকারের কাছে যে রিপোর্ট জমা দিয়েছিলেন তার সারমর্ম ছিল নিম্নরূপ:
কলেজে হাজার টাকা খরচ করে যে প্রচেষ্টা এবং কার্যক্রম অর্জিত হয় তা এখানে সামান্য পরিমাণ টাকা খরচ করেই অর্জিত হচ্ছে। প্রিন্সিপালের পিছনে হাজার রূপী খরচ করে যে কার্যক্রম ও প্রচেষ্টা পাওয়া যায় সেখানে এখানকার মৌলভীদের ৪০ রূপী মাসিক বেতনে তা পাওয়া যাচ্ছে। এই মাদ্রাসা ব্রিটিশ রাজের (সরকারের) বিরুদ্ধে নয়, বরং এটা ব্রিটিশ সরকারের অনুগত, প্রশংসাকারী এবং সক্রিয়ভাবে সম্পর্কযুক্ত। তিনি আরও বলেন, এটা যে কোনো মুসলমানের জন্য শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এর চেয়ে ভাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আর হয় না। এমনকি অমুসলিমদেরও এখানে এসে শিক্ষাগ্রহণ করা উচিৎ।
সূত্র : মাওলানা মুহাম্মদ আহসান নানুতুভী, পৃ: ২১৭ এবং সাইয়িদ ইশতিয়াক আযহারের ফখরুল উলামা, পৃষ্ঠা ৬০।
কি অদ্ভুত! দেওবন্দ মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ব্রিটিশের বিরুদ্ধে যিহাদে লিপ্ত আর ব্রিটিশ গোয়েন্দা বিভাগ দেওবন্দের প্রশংসায় পঞ্চমুখ!


