অনলাইন ডেস্ক

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম টেলিভিশন ভাষণে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন Mojtaba Khamenei। তিনি বলেছেন, ইরান তার সংগ্রাম অব্যাহত রাখবে এবং দেশটির বিরুদ্ধে আগ্রাসনের জন্য ‘শহীদদের রক্তের বদলা’ নেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার সম্প্রচারিত ওই ভাষণে তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন প্রতিরোধ গোষ্ঠী ইসলামি বিপ্লবের আদর্শে বিশ্বাসী এবং প্রয়োজন হলে তারা সরাসরি পদক্ষেপ নেবে। বিশেষ করে Yemen ও Iraq-ভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, নির্দেশনা পেলেই তারা তাদের ‘অ্যাকশন’ শুরু করবে।
মোজতবা খামেনি বলেন, “ইয়েমেনের প্রতিরোধ যোদ্ধারাও তাদের দায়িত্ব পালন করবে। একইভাবে ইরাকের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ইসলামি বিপ্লবকে সহায়তা করতে প্রস্তুত।”
ভাষণে তিনি স্পষ্টভাবে জানান, ইরান প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চাইলেও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি তাদের প্রধান লক্ষ্যবস্তু হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, এ অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর বিরুদ্ধে হামলা অব্যাহত থাকবে।
খামেনি বলেন, “ইরানি বাহিনী কেবল মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে এবং এই অভিযান চলবে। এই অঞ্চলের সব মার্কিন ঘাঁটি অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত, অন্যথায় সেগুলো হামলার মুখে পড়বে।”
ভাষণের শুরুতে তিনি ইরানের সামরিক বাহিনীকে ধন্যবাদ জানান। তার ভাষায়, সাম্প্রতিক সংঘাতে দেশ যখন আক্রমণের মুখে পড়েছিল, তখন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীই দেশকে বিভক্ত হওয়া বা পরাধীনতার হাত থেকে রক্ষা করেছে।
তিনি আরও বলেন, “সাহসী যোদ্ধারা কঠিন সময়েও দেশের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন এবং তাদের ভূমিকা জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার এই বক্তব্যকে অঞ্চলজুড়ে সম্ভাব্য নতুন সামরিক উত্তেজনার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
সূত্র: Al Jazeera


