
ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২–এর পেশকার মো. শাহিন বলেন, ২৯ বছর আগের একটা হত্যা মামলায় আজ হাজিরা দিতে সকালের দিকে আদালতে আসেন মামুন। সাড়ে ১০টায় বিচারক এজলাসে ওঠেন। একটা মামলার পরই তাঁর মামলার ডাক আসে। তিনি কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে হাজিরা দেন। তবে এ মামলার কোনো সাক্ষী আসেনি। বিচারক আগামী বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের পরবর্তী দিন ধার্য করেন। বেলা পৌনে ১১টার দিকে আদালত ছেড়ে চলে যান।
স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের একটি সূত্র বলছে, তারিক সাইফ মামুন (৫৫) একজন ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ ছিলেন। তিনি একসময় আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমনের সহযোগী ছিলেন। তবে অপরাধজগতের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে তাঁদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা।


