বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৩০, ২০২৬

৭ নভেম্বর : ভারতীয় সেনাবাহিনীর উপস্থিতিতে স্বাধীন বাংলাদেশ বলতে কিছু থাকতো না!

পাঠক প্রিয়

সুফি সাগর সামস্ : ১৯৭২ সালে সিরাজুল আলম খানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে আসা গ্রুপটি জাসদ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। ১৯৭৪ সালের ১৭ মার্চের পর জাসদের গোপন রাজনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধি পেতে থাকে। ১৭ মার্চ জাসদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এম. এনসুর আলীর বাসভবন ঘেরাও করেছিল। এ দিন জাসদের সঙ্গে পুলিশ ও রক্ষীবাহিনীর সংঘর্ষ হয়। আ.স.ম আব্দুর রব এবং মেজর (অব) এম. এ জলিল আহত অবস্থায় গ্রেফতার হন। এই পটভূমিতে বঙ্গবন্ধু সরকারকে সশস্ত্র উপায়ে উৎখাতের লক্ষ্যে গণবাহিনী গঠন করা হয়। জাসদের সামরিক শাখা গণবাহিনীর ডেপুটি কমান্ডার ছিলেন জাসদ নেতা হাসানুল হক ইনু।

পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খালেদ মোশাররফ ৩ নভেম্বর পাল্টা অভ্যুত্থান ঘটান। আবার ৩ নভেম্বরের অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে ৭ নভেম্বর পাল্টা অভ্যুত্থান ঘটান কর্নেল এম. এ তাহের (বীর উত্তম)। এই অভ্যুত্থান সফল করার লক্ষ্যে তিনি ৬ নভেম্বর রাতে এলিফ্যান্ট রোডে তার ভাই অধ্যাপক আনোয়ার হোসেনের বাসায় জাসদের হাসানুল হক ইনুর গণবাহিনী ও বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার নেতারা গোপন বৈঠকে মিলিত হন। পূর্ব-পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা তাদের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেন। ঢাকার সর্বত্র তারা একটি লিফলেট বিতরণ করেন। ওই লিফলেটের মধ্য দিয়ে ৩ নভেম্বরের অভ্যুত্থান ভারতের ইন্ধনে করা হয়েছে মর্মে জনগণকে বিভ্রান্ত করা হয়।

ঢাকা সেনানীবাসে ৬ নভেম্বর মধ্যরাত থেকে পরের দিন সকাল ১০-১১ পর্যন্ত কর্নেল তাহেরের বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার সদস্যরা ‘সিপাহি সিপাহি ভাই ভাই, সুবেদার মেজরের উপরে অফিসার নাই এবং সিপাহি সিপাহি ভাই ভাই, অফিসারদের রক্ত চাই’ স্লোগান দিয়ে মেজর আনোয়ার, মেজর মহিউদ্দিন, মেজর আজিম, মেজর করিম, ক্যাপ্টেন খালেক, ক্যাপ্টেন আনোয়ার, লেফটেন্যান্ট কর্নেল শিকদার, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুস্তাফিজ, কর্নেল ওসমানের স্ত্রী, কর্নেল মুজিবের স্ত্রী, মেজর চেরী ও বিটিভির অফিসার মনিরুজ্জামানকে হত্যাসহ সেনাবাহিনীর ২৪ জন অফিসারকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ সময় ক্যান্টনমেন্টে এক ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। ঢাকা শহরের সর্বোত্র ওই সিপাহি বিদ্রোহ দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ে। রাত একটার মধ্যেই সিপাহিরা পুরো ক্যান্টনমেন্ট এলাকা দখল করে নেয়। এদের মধ্য থেকে কেউ কেউ একের পর এক আকাশে ফাঁকা গুলি ছুড়তে থাকে। অন্যরা উত্তেজিত স্লোগান দিতে দিতে অফিসারদের খুঁজতে থাকে।

অধিকাংশ সিপাহি বিদ্রোহিদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেছিল। কিন্তু বেশির ভাগ সিপাহি অভ্যুত্থানকারীদের গোপন পরিকল্পনা ও উদ্দেশ্য জানত না। অফিসার হত্যা অব্যাহত রেখে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণহীন করার অপচেষ্টা করা হয়। এতে জাসদের গণবাহিনী জড়িত ছিল। পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও চুলছেড়া বিশ্লেষণ করলে প্রতীয়মান হয় যে, তাদের ওই অভ্যুত্থানের উদ্দেশ্য ছিল, যাতে রক্ষীবাহিনী ও সেনাবাহিনী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। আর ওই অজুহাতে রক্ষীবাহিনীর সহায়তার জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনী পুণরায় বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে পারে। কর্নেল তাহেরের বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা ও হাসানুল হক ইনুর গণবাহিনীর ওই জঘন্য প্রত্যাশা নিরাশ করে দিয়ে রক্ষীবাহিনী বিচক্ষণতার সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের মধ্য দিয়ে নীরবতা পালন করেছিল। এ কারণে তাদের মূল উদ্দেশ্য ব্যর্থ হয়ে যায়। এরপর গণবাহিনী ২৬ নভেম্বর ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার সমর সেনকে অপহরণের উদ্দেশ্যে ভারতীয় হাই কমিশন আক্রমন করে। ওই আক্রমনে গুলিবিদ্ধ হয়ে সমর সেন নিহত হন। ওই অভিযানে অংশ নিয়ে কর্নেল তাহেরের ভাই বাহার, গণবাহিনীর সদস্য হারুন, মাসুদ ও বাচ্চু নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়। কর্নেল তাহেরের আরেক ভাই বেলাল ও সবুজ আহত ও বন্দী হয়। এ সময় ঢাকার মানুষ আতঙ্কিত ছিল। এই বুঝি ভারতীয় বিমানবাহিনী ঢাকা আক্রমন করল। কিন্তু না, তা হয়নি। তবে ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু নিহত হওয়ার পর হাই কমিশনার সমর সেন যখন খুনি মুশতাকের সাথে হাসিমুখে কোলাকুলি করছিলেন তখন জনগণ হতভম্ব হয়েছিল। সমর সেন এর এই হাসিখুশি রহস্যময় কোলাকুলির অর্থ অদ্যাবধি প্রকাশ হয়নি।

রক্ষীবাহিনীর পরিপূর্ণ পৃষ্ঠপোষকতা ছিল ভারতের। রক্ষীবাহিনীর কাপড়-চোপড়, গোলাবারুদ, বুট ইত্যাদি ভারত থেকে সরবরাহ করা হতো। সাভারে ভারতীয় প্রশিক্ষক দ্বারা প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো। রক্ষীবাহিনীর বেসিক ট্রেনিং এবং স্পেশালাইজড কোর্স ভারতে করানো হতো। ভারতীয় সেনাবাহিনীর জলপাই রঙের কাপড় দিয়ে রক্ষীবাহিনীর পোশাক তৈরী করা হতো। সুতরাং রক্ষীবাহিনী ও সেনাবাহিনী সংঘর্ষে জড়িয়ে গেলে ভারতীয় সেনাবাহিনীর এগিয়ে আসার সম্ভাবনা ছিল প্রবল। উভয় বাহিনীর পোশাকের রঙ যেহেতু এক ছিল, সেহেতু ভারতীয় সেনাবাহিনী রক্ষীবাহিনীর সঙ্গে মিশে গেলে তা নির্ণয় করা সম্ভব হতো না। কিন্তু রক্ষীবাহিনীর বিচক্ষণ সদস্যরা নীরব ছিল। তারা ঠান্ডা মাথায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছিল এবং সঠিক সিদ্ধান্তে অটল ছিল।

১৫ আগস্টের হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে রক্ষীবাহিনী কেন প্রতিরোধ গড়ে তোলেনি সে বিষয়ে রক্ষীবাহিনীর উপ-পরিচালক কর্ণেল (অব) সারোয়ার হোসেন মোল্লা বেশকিছু যুক্তিসঙ্গত কারণ তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন যে, রক্ষীবাহিনী তখন মুশতাক সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করলে তাদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী এ্যাকশনে যেত। আর তাতে অসংখ্য সাধারণ মানুষ নিহত এবং একটা গৃহযুদ্ধ সংঘটিত হতো। তারা ভারতের সাহায্যে একটা প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারতেন। কিন্তু ভারত তখন কেন তাদেরকে সাহায্য করবে? রক্ষীবাহিনীকে সাহায্য করার নামে রক্ষীবাহিনীর ছদ্মাবরণে যদি ভারতীয় সেনাবাহিনী পুনরায় বাংলাদেশে প্রবেশ করত? এসব বিষয়সমূহ সম্মুখে রেখে রক্ষীবাহিনী তখন নিষ্ক্রিয় ছিল। রক্ষীবাহিনীর এই নিষ্ক্রিয়তা দেশ ও জাতিকে এক ভয়ঙ্কর আত্মঘাতী ধ্বংস থেকে রক্ষা করেছিল। রক্ষীবাহিনী এবং সেনাবাহিনী যদি সংঘর্ষে লিপ্ত হতো আর এই সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে যদি ভারতীয় সেনাবাহিনী বাংলাদেশে প্রবেশ করত তাহেলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কিংবা বাংলাদেশের স্বাধীনতা বলতে অবশিষ্ট আর কিছুই থাকত না।

কর্নেল তাহেরের নির্দেশে হাবিলদার সারোয়ারের নেতৃত্বে বেঙ্গল ল্যান্সারের একদল সৈন্য গিয়েছিল জেনারেল জিয়াউর রহমানের বাসভবনে। তারা জেনারেল জিয়াকে বন্দী অবস্থা থেকে মুক্ত করে দ্বিতীয় ফিল্ড রেজিমেন্টে কর্নেল রশীদের ইউনিটে নিয়ে যায়। রাত আড়াইটায় জেনারেল জিয়া ও কর্নেল তাহের সেনানীবাসে গোপন বৈঠকে মিলিত হন। ওই বৈঠকের মধ্য দিয়ে জেনারেল জিয়া জাসদের গোপন মিশনের বিষয়ে অবগত হন। তিনি পরিস্থিতি অনুযায়ী তাদের সাথে ঐকমত্য পোষণ করেন। তখন তার সম্মুখে দুটি পথ খোলা ছিল। এক. তাদের সাথে দ্বিমত পোষণ করে মৃত্যুবরণ করা অথবা কারারুদ্ধ থাকা, দুই. পরিস্থিতি অনুযায়ী তাদের সাথে ঐকমত্য পোষণ করে ক্ষমতাসীন হয়ে সময় মত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা। জেনারেল জিয়া দ্বিতীয় পথটিই বেছে নিয়েছিলেন। তিনি ৭ নভেম্বর সকাল ১১টা পর্যন্ত জাসদ ও কর্নেল তাহেরের সাথে সম্পর্ক অটুট রেখেছিলেন।

৭ নভেম্বর সকালে জাসদের লংমার্চের কর্মসূচি ছিল। জাসদ, গণবাহিনী ও বিপ¬বী সৈনিক সংস্থা শহীদ মিনার থেকে বিপ্লবের সমর্থনে লংমার্চ করতে চেয়েছিল। এতে জেনারেল জিয়ার যোগদানের কথা ছিল। কিন্তু তিনি যোগদান করেননি। তিনি সকালে সেনাবাহিনীর সৈন্যবোঝাই কয়েকটি ট্রাক শহীদ মিনারে পাঠিয়ে দেন। সেনাবাহিনীর ট্রাক মিছিল করে শহীদ মিনারে আসে। তারা লংমার্চের সঙ্গে একাত্ম হওয়ার বদলে সমবেত জাসদ নেতা-কর্মীদেরকে মারধর করে ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছিল। এই ঘটনার পূর্বক্ষণ পর্যন্ত জাসদের নেতাকর্মীরা জিয়া এবং তাহেরের নামে স্লোগান দিয়েছিল। জেনারেল জিয়া লংমার্চে যোগদান না করার মধ্য দিয়ে জাসদের সঙ্গে আনুষ্ঠাকিভাবে সম্পর্ক ছিন্ন করেন। তিনি মুশতাক গ্রুপের সাথে সংঘর্ষে না গিয়ে বিশেষ কৌশলে তাদেরকে পাশ কাটিয়ে নিজের অবস্থানে অটল থাকেন।

এ সময় জেনারেল জিয়া ঢাকা সেনানীবাসে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। সেনাবাহিনীর চেইন অব কমান্ড স্বাভাবিক করে সেনাবাহিনীর শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনেন। তিনি অতিদ্রæত পরিস্থিতি নিজের নিয়ন্ত্রণে নিতে সক্ষম হন।

জেনারেল জিয়া বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে প্রেসিডেন্ট ও চীফ মার্শাল ল’ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর করে নিজে সেনাপ্রধান ও ডেপুিিট চীফ মার্শাল ল’ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ৭ নভেম্বর গঠিত সরকারকে উৎখাতের চেষ্টা চালানোর অভিযোগে ২৩ নভেম্বর কর্নেল তাহেরসহ ৩৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এদের মধ্যে ২০ জনেরও বেশি ছিল সৈনিক ও জাসদের নেতা। ২৩ নভেম্বর রাতে প্রথম যাদেরকে গ্রেফতার করা হয় তারা হলেন, আ.স.ম. আবদুর রব, মেজর জলিল, হাসানুল হক ইনু এবং ফ্লাইট সার্জেন্ট আবু ইউসুফ (তাহেরের বড় ভাই)। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি হলে আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় কর্নেল তাহেরকে গ্রেফতার করা হয়। এই গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে সিপাহি বিদ্রোহের সমাপ্তি ঘটে।

কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে গঠিত সামরিক আদালতের বিচারে ১৯৭৬ সালের ২১ জুলাই ভোর ৪টায় কর্নেল তাহেরকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়। সিরাজুল আলম খান, অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন, আ.স.ম আবদুর রব, হাসানুল হক ইনু, মেজর আবদুল জলিল ও আবু ইউসুফসহ ১৭ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড দেওয়া হয়। আবু ইউসুফের যাবজ্জীবন ও আনোয়ার হোসেনের ১০ বছর কারাদন্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো দুই বছরের দন্ড দেওয়া হয়। পাঁচ বছর সাজা খাটার পর আবু ইউসুফ ও আনোয়ার হোসেনকে ১৯৮০ সালে মুক্তি দেওয়া হয়।

এভাবে জেনারেল জিয়াউর রহমান জাসদের আত্মঘাতী ধ্বংসলীলার কবল থেকে দেশকে রক্ষা করেছিলেন। যদি জেনারেল জিয়া সাহসিকতা ও বিচক্ষণতার সঙ্গে জাসদের দেশবিরোধী আত্মঘাতী কর্মকান্ড দমন না করতেন তাহলে কর্নেল তাহের ক্ষমতাসীন হতেন। কর্মরত সেনাবাহিনীর উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা সেনাবাহিনীর অফিসার বিদ্বেষী অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আবু তাহেরের আনুগত্য কোনোভাবেই মেনে নিতেন না। নিশ্চিতভাবে আরেকটি সামরিক অভ্যুত্থান সংঘটিত হতো। এই অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে ভারতীয় সেনাবাহিনী পুণরায় বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতো। ভারতীয় সেনাবাহিনীর উপস্থিতিতে স্বাধীন বাংলাদেশ বলতে কিছু থাকতো না। বাংলাদেশ হতো ভারতের একটি অনুগত রাষ্ট্র।

লেখক : ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যন, বাংলাদেশ হিউম্যানিস্ট পার্টি-বিএইচপি।

 

সর্বশেষ সংবাদ

ময়মনসিংহ ও সিলেটে ৬০ কিমি বেগে ঝড় হতে পারে

অনলাইন ডেস্ক দেশের দুই অঞ্চলে সন্ধ্যার মধ্যে ঝড়ো আবহাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সম্ভাব্য এই দুর্যোগে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০...

ডিএমপিতে পাঁচ পরিদর্শক বদলি

অনলাইন ডেস্ক ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পাঁচজন পরিদর্শককে বদলি করা হয়েছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (সদরদপ্তর ও প্রশাসন) মো. আমীর খসরুর স্বাক্ষরিত এক আদেশে...

যুদ্ধবিরতির মাঝেই ইরানকে উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা দিচ্ছে চীন—মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য

অনলাইন ডেস্ক ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেই তেহরানকে নতুন করে উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহের প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন—এমন তথ্য দিয়েছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। মার্কিন...

হামের প্রাদুর্ভাব: ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত ১৬৯

অনলাইন ডেস্ক দেশে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক আকার ধারণ করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এতে গত ১৫...

কাতারে ইরানের জব্দ সম্পদ ছাড়তে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে কাতারসহ বিভিন্ন দেশে আটকে থাকা ইরানের জব্দকৃত অর্থ ছাড়তে সম্মত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। যদিও...

জনপ্রিয় সংবাদ