আন্তর্জাতিক ডেস্ক

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলকে দেশের বাকি অংশের সঙ্গে সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ কাসমিয়া সেতুতে ইসরাইলি বাহিনীর হামলার ফলে দেশটিতে মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে বড় ধরনের সংকট সৃষ্টি হয়েছে।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেতুতে হামলার ফলে লেবাননের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। হামলার পরে সেতু এবং লিতানি নদীর ওপর পারাপারের সমস্ত পথ ধ্বংস হয়ে গেছে।
ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাৎজ রবিবার লিতানি নদীর ওপর সব পারাপারের পথ এবং সীমান্ত সংলগ্ন লেবাননের অভ্যন্তরে সমস্ত অবকাঠামো ধ্বংস করার নির্দেশ দেন।
লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এই হামলাকে ‘দক্ষিণ লিতানি অঞ্চলকে দেশের বাকি অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি আরও বলেন, এটি ইসরাইলি সীমান্তে একটি বাফার জোন তৈরি এবং লেবাননের ভেতরে সম্প্রসারণের চক্রান্তের অংশ হিসেবে পরিকল্পিত।
মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই হামলার প্রভাব ভয়াবহ। কাসমিয়া সেতুর ধ্বংসের কারণে উত্তর ও দক্ষিণ লেবাননের মধ্যে জরুরি ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া এখন প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। লিতানি নদীর দক্ষিণাংশে বিপুল সংখ্যক বেসামরিক নাগরিক আটকা পড়েছেন। এদের মধ্যে অনেকেই স্কুল, হাসপাতাল এবং অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন। যাতায়াতের প্রধান পথগুলো ধ্বংস হওয়ায় সরকারের জন্য তাদের কাছে পৌঁছানো এখন এক বড় চ্যালেঞ্জ।
প্রসঙ্গত, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের একাংশ ইতোমধ্যেই লেবাননের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং মানবিক সহায়তা দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।


