বিনোদন ডেস্ক

খ্যাতির শিখরে থাকা অবস্থায় দিব্যা ভারতীর আকস্মিক মৃত্যু ১৯৯৩ সালে বলিউডকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল। মাত্র ১৯ বছর বয়সে এই নায়িকা জীবনকালের শিখরে পৌঁছেও ছিলেন, কিন্তু হঠাৎ পতনের পরই ইন্ডাস্ট্রির এক বড় শূন্যতার সৃষ্টি হয়। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে ‘বিশ্বত্মা’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হলেও ‘সাত সমুন্দর পার’ গানটি তাকে ঘরে ঘরে পরিচিত করে তোলে। এরপর ‘শোলা অউর শবনম’, ‘দিওয়ানা’, ‘দিল আশনা হ্যায়’– একের পর এক ব্লকবাস্টার ছবিতে তার অভিনয় তাকে দারুণ জনপ্রিয় করে তোলে।
দিব্যার ব্যক্তিগত জীবন ছিল যথেষ্ট জটিল। অল্প বয়সেই তিনি প্রযোজক সাজিদ নাদিয়াদওয়ালার সঙ্গে গোপনভাবে বিয়ে করেন এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নাম পরিবর্তন করে রাখেন ‘সানা’। তবে এই গোপন সম্পর্ক ও মানসিক চাপের কারণে তার জীবনেও নানা সমস্যা সৃষ্টি হয় বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
৫ এপ্রিল, ১৯৯৩ সালের রাতে মুম্বাইয়ের ভার্সোভার ফ্ল্যাটে তিনি জানালার কার্নিশে বসে ভারসাম্য হারিয়ে পাঁচতলা থেকে নিচে পড়ে যান। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলেও তিনি পৌঁছানোর আগেই মৃত্যু ঘটে। পুলিশি তদন্তে তার রক্তে উচ্চমাত্রার অ্যালকোহল পাওয়া যায় এবং মৃত্যুকে দুর্ঘটনাজনিত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
তবুও দিব্যার মৃত্যু নিয়ে নানা তত্ত্ব আজও উস্কে দেয় কৌতূহল। আত্মহত্যা, হত্যাকাণ্ড, কিংবা অন্ধকার ব্যবসায়িক যোগসূত্র– সবই আলোচনার কেন্দ্রে ছিল। ১৯৯৮ সালে প্রমাণের অভাবে মুম্বাই পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে মামলাটি বন্ধ করে দেয়। তবে সেই রাতে উপস্থিত ব্যক্তিদের বক্তব্যে অসঙ্গতি, এবং ঘনিষ্ঠ সাক্ষী গৃহপরিচারিকা অমৃতার রহস্যজনক মৃত্যু এই কেসের ছায়া আজও কাটিয়ে উঠতে পারেনি।
দিব্যা ভারতীকে আজও মনে রাখা হয় শুধুমাত্র তার অসাধারণ প্রতিভা ও সৌন্দর্যের জন্য নয়, বরং তার জীবন ও মৃত্যুতে লুকিয়ে থাকা রহস্যের জন্যও। অসমাপ্ত ছবি, অপ্রকাশিত স্বপ্ন এবং হ


