
এই ঘোষণা এসেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক বৈঠকের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই। দুই দেশের শীর্ষনেতাদের বৈঠককে মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি ও সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, “সিরিয়ার অংশগ্রহণ আন্তর্জাতিক জোটের কার্যক্রমকে শক্তিশালী করবে এবং আইএসের বিরুদ্ধে যৌথ প্রচেষ্টা আরও কার্যকর হবে।” এই জোটে ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি ও অন্যান্য দেশ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে।
সিরিয়ার কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই অংশগ্রহণ থেকে দেশটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।


