নিজস্ব প্রতিবেদক

আইনগত ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো বর্তমানে সুপরিকল্পিত রূপান্তরের মধ্য দিয়ে এগোচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। তিনি বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থাও দ্রুত পরিবর্তিত বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে প্রযুক্তিনির্ভর কাঠামোর দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
সোমবার এক অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি বলেন, ডিজিটাল রূপান্তর, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, তথ্যভিত্তিক শাসনব্যবস্থা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ক্রমবর্ধমান ব্যবহার বিচারব্যবস্থার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে। এ পরিবর্তন সামাল দিতে আইনজীবী, বিচারক এবং আদালতসংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে প্রস্তুত থাকতে হবে।
তিনি আরও জানান, বিচারব্যবস্থায় রূপান্তর শুধু প্রযুক্তি ব্যবহারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং আইনি চিন্তাধারা, পেশাগত দক্ষতা এবং নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণেও পরিবর্তন আনতে হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা–নির্ভর গবেষণা, ডিজিটাল প্রমাণ ব্যবস্থাপনা, অনলাইন কোর্ট সেবা এবং তথ্যনির্ভর বিশ্লেষণ ভবিষ্যতে বিচারকার্যকে আরও গতিশীল করবে।
প্রধান বিচারপতি বলেন, “নতুন প্রজন্মের আইনজীবীদের অবশ্যই প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক বাস্তবতায় প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে আইনজীবীদের দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গি আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে সমন্বিত করা জরুরি।”
তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করেন যে চলমান রূপান্তরের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিচারব্যবস্থা আরও স্বচ্ছ, নাগরিক-বান্ধব ও প্রযুক্তিসমৃদ্ধ হয়ে উঠবে।


