অনলাইন ডেস্ক

ডিসেম্বর ২০২৫-এর ১৫–১৬ তারিখে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ কমান্ড (SOUTHCOM) তিনটি নৌযানকে “kinetic strike” হিসেবে লক্ষ্য করে হামলা চালায়, যার ফলে আট জন পুরুষ নিহত হয়েছে পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের আন্তর্জাতিক জলসীমায়। মার্কিন সামরিক বাহিনী দাবি করেছে তাদের লক্ষ্য মাদক পাচারে যুক্ত “নরকো‑টাররিস্ট” গ্রুপ ছিল। তবে কোনো নির্দিষ্ট প্রমাণ প্রকাশ করা হয়নি।
এই হামলা ভেনেজুয়েলার কাছাকাছি অঞ্চলে পূর্বে চালানো হয়েছে এমন অভিযানগুলোর ধারাবাহিক অংশ, যেখানে মার্কিন বাহিনী অন্তত ৯৫ জনকে হত্যা করেছে বিভিন্ন নৌযান লক্ষ্য করে strikes চালিয়ে।
এই অভিযানের পটভূমিতে মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং প্রশাসন ড্রাগ পাচার প্রতিরোধ বলে উল্লেখ করছে যুদ্ধ‑ধর্মী অভিযান চালাচ্ছে। Al Jazeera
আন্তর্জাতিক আইনগত উদ্বেগ
মানবাধিকার সংগঠনগুলো, যেমন Human Rights Watch ও জাতিসংঘের প্রতিনিধিরা, এসব হামলাকে বিচারবহির্ভূত হত্যা বা আইনের ব্যতিক্রমী কার্যক্রম হিসেবে কঠোরভাবে সমালোচনা করেছেন — কারণ কোনও আন্তর্জাতিক আইনি ভিত্তি বা প্রমাণ সামরিক হামলা চালানোর জন্য উপস্থাপন হয়নি।
আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামরিক শক্তি ব্যবহার শুধুমাত্র তখনই বৈধ যখন আত্ম‑রক্ষা বা সশস্ত্র সংঘাতের নির্দিষ্ট শর্ত থাকে — যা এই পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য নয়।
ভেনেজুয়েলা ও অঞ্চলের প্রতিক্রিয়া
যুক্তরাষ্ট্রের Caribbean (ক্যারিবীয় সাগর) ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে নৌবহর ও বিমান বাহিনী মোতায়েন বৃদ্ধির কারণে ভেনেজুয়েলা এবং এলাকা‑ভর্তি দেশগুলো চিন্তা ও প্রতিবাদ করেছেন, বিশেষ করে ভেনেজুয়েলার সরকার বলেছে এটি সামরিক আগ্রাসনের ছদ্মছায়া।
প্রতিবাদী আন্তর্জাতিক আইনপ্রণেতা ও মার্কিন আইনপ্রণেতারা এ অভিযান নিয়ে মার্কিন কংগ্রেসে তদন্ত দাবি করছেন।
এই হামলাগুলোকে মার্কিন প্রশাসন মাদক‑কারবার প্রতিরোধের অংশ হিসেবে উপস্থাপন করছে, কিন্তু তা প্রমাণহীন সামরিক হামলা হিসেবেও দেখা হচ্ছে, যেখানে আন্তর্জাতিক আইনের সীমা ও মানবাধিকারের প্রশ্ন উঠেছে। সাবেক কম্পানিগুলোর হিসাব অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে এখন পর্যন্ত বহু হামলায় বহু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।


