নিজস্ব প্রতিবেদক

ভারত থেকে বাংলাদেশে পিয়াজ আমদানি উপর হঠাৎ নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ায় ভারতীয় রফতানিকারক ও ব্যবসায়ীরা বিশাল সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন। বাংলাদেশ সরকারের এই সিদ্ধান্তের পরই ভারতীয় রফতানিকারকরা যে বিপুল পরিমাণ পিয়াজ সীমান্তে নিয়ে এসেছিলেন, তা এখন বন্দর ও স্থল সীমান্তে আটকে পড়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থল সীমান্তে এই অবস্থা দেখা গেছে। বিশেষ করে:
-
মালদা জেলার মাহদিপুর
-
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি
-
উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ঘোজাডাঙ্গা
-
পেট্রোপোল সীমান্ত
এই সীমান্তগুলোতে ট্রাক ও গোডাউনে অন্তত ৩০ হাজার টন পিয়াজ আটকে রয়েছে। প্রতিদিনই পিয়াজে পচন শুরু হচ্ছে, যা ভারতীয় ব্যবসায়ীদের জন্য বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির কারণ হিসেবে দাঁড়িয়েছে।
ভারতীয় রফতানিকারকরা স্থানীয় বাজারে পিয়াজ পানির দরে বিক্রি করতে শুরু করেছেন, যাতে সম্পূর্ণ ক্ষতি এড়ানো যায়। তবে এই পদক্ষেপও অস্থায়ী এবং সমস্যার স্থায়ী সমাধান নয়।
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস পিয়াজ আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। এই নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য হলো দেশীয় বাজারে পিয়াজের অভাব ও মূল্য স্থিতিশীল রাখা। তবে সীমান্তে আটকে থাকা এই বিপুল পরিমাণ পিয়াজ নিয়ে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে চাপ ও ঝুঁকি বেড়েছে।
সংক্ষেপে:
-
৩০ হাজার টন পিয়াজ সীমান্তে আটকা।
-
প্রতিদিন ক্ষয় বৃদ্ধি পাচ্ছে।
-
ভারতীয় ব্যবসায়ীরা স্থানীয় বাজারে সস্তায় বিক্রি করছেন।
-
বাংলাদেশে বাজারে মূল্য স্থিতিশীল রাখাই সরকারের মূল উদ্দেশ্য।


