অনলাইন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ঘিরে ক্রমবর্ধমান সামরিক উত্তেজনা প্রশমনের উপায় খুঁজতে উপসাগরীয় দেশগুলোর জোট Gulf Cooperation Council (জিসিসি)-এর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের জরুরি বৈঠক আহ্বান করেছে Saudi Arabia।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, শুধু জিসিসি সদস্য নয়, বরং অন্যান্য আরব ও ইসলামি দেশগুলোকেও এই বৈঠকে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে রিয়াদের। এর লক্ষ্য হলো চলমান সংঘাত থেকে উত্তরণের একটি কার্যকর কূটনৈতিক পথ খুঁজে বের করা।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান–যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে সবচেয়ে বেশি চাপে রয়েছে উপসাগরীয় আরব দেশগুলো। সম্ভাব্য যুদ্ধ তাদের নিরাপত্তা, জ্বালানি অবকাঠামো এবং অর্থনীতির ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে। এ কারণে তারাই এখন উত্তেজনা প্রশমনে সবচেয়ে সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছে।
তাদের আশঙ্কা, সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে সামরিক হামলা ও প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ বাড়বে, ফলে শান্তির উদ্যোগগুলো ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়বে।
এদিকে Qatar-এর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র Majed Al-Ansari এক বিবৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শন এবং আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে উত্তেজনা কমানোর পথেই এগোনোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন তিনি।
অন্যদিকে Iran তাদের জ্বালানি স্থাপনায় হামলার জবাবে Saudi Arabia, United Arab Emirates এবং Qatar-এর জ্বালানি স্থাপনাগুলোকে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ঘোষণা করেছে। তেহরানের পক্ষ থেকে এসব স্থাপনাকে ‘বৈধ লক্ষ্য’ হিসেবে উল্লেখ করে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে কার্যকর সংলাপ শুরু করতে হলে প্রথমেই Israel ও United States-এর হামলা এবং ইরানের পাল্টা হামলা বন্ধ করা জরুরি। অন্যথায় সংঘাত থেকে বের হওয়ার কোনো বাস্তবসম্মত পথ খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।
উপসাগরীয় দেশগুলোর এই কূটনৈতিক উদ্যোগ মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমনে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


