স্পোর্টস ডেস্ক

পাল্লেকেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মঙ্গলবারের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে Pakistan national cricket team-এর ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান স্পষ্ট বার্তা দিলেন—Jofra Archer-এর গতি ও বাউন্সে ভড়কে যাওয়ার কিছু নেই।
আগুনঝরা পেস, হঠাৎ শর্ট বল আর নিখুঁত লেংথ—আর্চারের হাতে বল উঠলেই বাড়তি পরীক্ষা দিতে হয় ব্যাটসম্যানদের। তবে ম্যাচের আগে আত্মবিশ্বাসী সাহিবজাদা বললেন, গতির বোলিং তাদের কাছে নতুন নয়।
“গতির বোলিং আমাদের জন্য অচেনা কিছু নয়। পাকিস্তানে আমরা নিয়মিতই ১৪৫ কিলোমিটার গতির আশপাশে বোলিংয়ের বিপক্ষে খেলি। জফ্রা আর্চারের মুখোমুখি হওয়া কোনো বড় বিষয় নয়। সে আমাকে নিয়ে পরিকল্পনা করবে, আমিও তাকে নিয়ে পরিকল্পনা করেছি,”—ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে বলেন তিনি।
আর্চারের বিশ্বকাপ পারফরম্যান্স
বিশ্বকাপের শুরুটা খুব একটা ভালো হয়নি আর্চারের। নেপালের বিপক্ষে ৪২ রানে এক উইকেট এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৪৮ রানে এক শিকার পান তিনি। তবে পরের ম্যাচগুলোতে ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত দেন ৩০ বছর বয়সী এই পেসার।
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ২৪ রানে দুই উইকেট এবং ইতালির বিপক্ষে ৩৫ রানে দুই উইকেট নেন আর্চার। সবচেয়ে প্রভাবশালী বোলিংটি আসে Sri Lanka national cricket team-এর বিপক্ষে সুপার এইট পর্বে।
১৪৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নামা শ্রীলঙ্কাকে শুরুতেই চাপে ফেলেন তিনি। ছন্দে থাকা পাথুম নিসাঙ্কা ও আরেক ওপেনারকে দ্রুত ফিরিয়ে ২০ রানে দুই উইকেট নেন আর্চার। শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ড ৯৫ রানে গুটিয়ে দিয়ে ৫১ রানের জয় পায়।
স্পিনেই ভরসা পাকিস্তানের
ইংল্যান্ড-শ্রীলঙ্কা ম্যাচে সহায়ক উইকেটে দুই দলের স্পিনাররাই দাপট দেখান। শ্রীলঙ্কার দুনিথ ওয়েলালাগে নেন তিন উইকেট, মাহিশ থিকশানা দুটি। ইংল্যান্ডের হয়ে উইল জ্যাকস, লিয়াম ডসন ও আদিল রাশিদও স্পিনে সাফল্য পান।
সাহিবজাদার বিশ্বাস, পাকিস্তান-ইংল্যান্ড ম্যাচেও স্পিন বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারে।
“শ্রীলঙ্কা-ইংল্যান্ড ম্যাচে আমরা দেখেছি বল গ্রিপ করেছে এবং ইংল্যান্ড স্পিনের বিপক্ষে ভুগেছে। তাদের এক-দুজন মানসম্মত স্পিনার আছে, কিন্তু আমাদের স্কোয়াডে পাঁচজন বিকল্প রয়েছে। বল গ্রিপ করলে আমরা ইংল্যান্ডকে কঠিন পরীক্ষায় ফেলতে পারব,”—যোগ করেন তিনি।
এখন দেখার পালা—আর্চারের গতি নাকি পাকিস্তানের স্পিন বৈচিত্র্য, পাল্লেকেলের লড়াইয়ে শেষ হাসি কে হাসে।


