অনলাইন ডেস্ক

কলকাতা: সম্প্রতি রাশিয়া ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্ভাব্য খনিজ তেল চুক্তি নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী মুহম্মদ আওরঙ্গজেব আরআইএ সংবাদ সংস্থাকে জানান, ইসলামাবাদ ক্রেমলিনের সঙ্গে তেল অনুসন্ধান, উৎপাদন ও পরিশোধনায় সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী। এ সংক্রান্ত আলোচনা জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের স্তরে চলছে।
বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করেন, এই ঘনিষ্ঠতা ভারতের কূটনৈতিক ব্যর্থতা নির্দেশ করছে। তবে অনেকে এর পেছনে মার্কিন ও পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার প্রভাবকে গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে দেখছেন। ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষিতে রাশিয়ার বিকল্প বাজার খুঁজতে থাকা এবং পাকিস্তানের তেলের ওপর নির্ভরতা মিলে এ সম্পর্কের জন্ম দিয়েছে।
ইতিহাসও ইঙ্গিত দেয়, যদিও ২০২২ সালে ইমরান খানের ক্রেমলিন সফরের পর বড় কোনও চুক্তি হয়নি, তবে পাকিস্তান বর্তমানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সময়োপযোগী আর্থিক ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা পেয়ে এসেছে। সামরিক ও আর্থিক দিক থেকে মার্কিন প্রভাব এড়ানো পাকিস্তানের পক্ষে কঠিন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শেহবাজ শরিফ সরকারের মস্কোর সঙ্গে বড় চুক্তি করা মার্কিন ক্ষোভের মুখে পাকিস্তানের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। বর্তমানে রাশিয়া ভারতের তেলের চাহিদা কিছুটা কমানোর ফলে ইসলামাবাদ ক্রেমলিনের দিকে নজর দিতে বাধ্য হয়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে, ভবিষ্যতে এই সম্পর্ক ভারতের জাতীয় স্বার্থের ওপর কী প্রভাব ফেলবে।
সূত্র: আনন্দবাজার


