সোমবার, এপ্রিল ১৩, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটির তথ্য ইরানকে দিচ্ছে রাশিয়া, দাবি ওয়াশিংটন পোস্টের

পাঠক প্রিয়

শেরপুর-৩ আসনে ত্রিমুখী লড়াইয়ের আভাস, বিএনপি–জামায়াত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় উত্তাপ

শেরপুর প্রতিনিধি শেরপুর-৩ আসনের আসন্ন নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা বাড়ছে। বিএনপি ও জামায়াত—দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দলের প্রার্থীদের মধ্যে চলছে...

৭ বছর পর শামীম আরজুর মৃত্যুতে মামলা, হানিফসহ ১৫ জন আসামি

কুষ্টিয়া প্রতি‌নি‌ধি কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম. এ. শামীম আরজুর মৃত্যুর ঘটনায় প্রায় সাত বছর পর আদালতে...

‘রাকা’ চরিত্রে পর্দা কাঁপাবেন আল্লু অর্জুন, ৯ ভাষায় পোস্টার প্রকাশ

শোবিজ ডেস্ক তেলেগু সুপারস্টার Allu Arjun এবং ব্লকবাস্টার পরিচালক Atlee Kumar-এর প্রথম কোলাবোরেশন নিয়ে দীর্ঘদিনের জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটল অবশেষে।...

হামের প্রাদুর্ভাব: ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত ১৬৯

অনলাইন ডেস্ক দেশে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক আকার ধারণ করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর...

রাজধানীতে পাঁচ বছরে ৩ লাখ বৃক্ষরোপণ করবে ডিএসসিসি: আব্দুস সালাম

অনলাইন ডেস্ক ঢাকা: রাজধানীকে আরও সবুজ ও বাসযোগ্য করে তুলতে আগামী পাঁচ বছরে তিন লাখ বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ...

অনলাইন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোর অবস্থানসংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্য ইরানকে সরবরাহ করছে রাশিয়া—এমন দাবি করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই তথ্যের কারণে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলার পরিকল্পনা করতে তেহরানের জন্য সুবিধা হচ্ছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলমান সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকেই রাশিয়া ইরানকে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক সম্পদের বিভিন্ন তথ্য দিচ্ছে। এসব তথ্যের মধ্যে রয়েছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ, সামরিক বিমান এবং বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটির অবস্থান। এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, এই সহায়তা “বেশ বিস্তৃত একটি প্রচেষ্টা” বলে মনে হচ্ছে।

এর আগে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস এক বিশ্লেষণে জানিয়েছিল, মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সংঘাতে ইরানের হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্তত সাতটি মার্কিন সামরিক স্থাপনার যোগাযোগ ও রাডার ব্যবস্থার কাছাকাছি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সপ্তাহান্ত ও সোমবার পরিচালিত এসব হামলার লক্ষ্য ছিল বাহরাইন, কাতার, কুয়েত, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো। হামলায় স্যাটেলাইট যোগাযোগ টার্মিনাল, রাডার ডোমসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যেগুলো উপসাগরে মার্কিন বাহিনীর কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল নেটওয়ার্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

বিশ্লেষকদের প্রশ্ন—ইরান কীভাবে এত নির্ভুলভাবে বিভিন্ন দেশে থাকা সংবেদনশীল মার্কিন স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারছে। ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়ার দেওয়া গোয়েন্দা তথ্য ইরানকে হামলার পরিকল্পনায় সহায়তা করছে।

কর্মকর্তাদের মতে, যুদ্ধ শুরুর এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে মার্কিন বাহিনীর অবস্থান শনাক্ত করার ক্ষেত্রে ইরানের নিজস্ব সক্ষমতা কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে বাইরের গোয়েন্দা তথ্য তেহরানের জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

তবে ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও চীন এই সংঘাতে তেহরানকে কোনো সামরিক সহায়তা দিচ্ছে—এমন কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকেরা। তাদের মতে, রাশিয়ার সঙ্গে ইরানের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চীনের তুলনায় অনেক বেশি ঘনিষ্ঠ।

২০২২ সালে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে ইরান রাশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হয়ে ওঠে। ইরান রাশিয়াকে এমন প্রযুক্তি সরবরাহ করেছে, যার মাধ্যমে কম খরচের আক্রমণাত্মক ড্রোন তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। এসব ড্রোন ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে হামলায় ব্যবহার করা হয়েছে এবং কিয়েভের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে।

এ বিষয়ে অবগত এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, “রাশিয়ানরা খুব ভালোভাবেই জানে আমরা ইউক্রেনকে কী ধরনের সহায়তা দিচ্ছিলাম। তাই কিছুটা প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ তারা পেয়ে খুশি হয়েছে।”

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমন্বিত হামলার পরও ইরান পিছু হটার কোনো লক্ষণ দেখাচ্ছে না। গত এক সপ্তাহে তেহরান সামরিক স্থাপনা, কূটনৈতিক মিশন এবং জ্বালানি অবকাঠামোতে একাধিক হামলা চালিয়ে ওয়াশিংটন ও তার আঞ্চলিক মিত্রদের ওপর চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করেছে।

সাম্প্রতিক আলোচিত হামলাগুলোর একটি ছিল কাতারের আল উদেইদ এয়ার বেস—যা মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি। এছাড়া রিয়াদ ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসেও ইরানি ড্রোন হামলার খবর পাওয়া গেছে। সৌদি আরব ও কাতারের তেল ও গ্যাস অবকাঠামোতেও একাধিক হামলা চালানো হয়েছে।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, এই যুদ্ধ কতদিন চলবে সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা নেই। উভয় পক্ষই মনে করছে, শেষ পর্যন্ত প্রতিপক্ষই আগে নতি স্বীকার করবে।

বিশ্লেষকদের মতে, যদি রাশিয়ার গোয়েন্দা সহায়তা অব্যাহত থাকে, তাহলে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে ইরানের হামলা আরও ঘন ঘন এবং আরও প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে।

সর্বশেষ সংবাদ

যুদ্ধবিরতির মাঝেই ইরানকে উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা দিচ্ছে চীন—মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য

অনলাইন ডেস্ক ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেই তেহরানকে নতুন করে উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহের প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন—এমন তথ্য...

হামের প্রাদুর্ভাব: ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত ১৬৯

অনলাইন ডেস্ক দেশে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক আকার ধারণ করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এতে গত ১৫...

কাতারে ইরানের জব্দ সম্পদ ছাড়তে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে কাতারসহ বিভিন্ন দেশে আটকে থাকা ইরানের জব্দকৃত অর্থ ছাড়তে সম্মত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। যদিও...

সংকট আতঙ্কে জ্বালানি মজুত: বাসা হয়ে উঠছে ‘ঝুঁকির পেট্রোলপাম্প’

বিশেষ প্রতিবেদন মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এর প্রভাব এসে পড়েছে বাংলাদেশেও। তবে বাস্তবে জ্বালানি সরবরাহে বড় কোনো সংকট না থাকলেও,...

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি আলোচনা শুরু

অনলাইন ডেস্ক পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত উচ্চপর্যায়ের আলোচনা শুরু হয়েছে। শনিবার বিকেলে Islamabad-এ এ বৈঠকের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম Al...

জনপ্রিয় সংবাদ