শনিবার, জুলাই ১৮, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্যবস্তু করার হুঁশিয়ারি ইরানের

পাঠক প্রিয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইউনাইটেড নেশন্স-এ চিঠি দিয়ে সামরিক আগ্রাসনের শিকার হলে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি ও অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। পরমাণু চুক্তি নিয়ে সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে Donald Trump-এর বক্তব্যকে ‘সামরিক আগ্রাসনের প্রকৃত ঝুঁকির ইঙ্গিত’ বলে উল্লেখ করেছে তেহরান।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) জাতিসংঘ মহাসচিব Antonio Guterres-কে লেখা চিঠিতে জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী দূত জানান, ইরান যুদ্ধ চায় না; তবে তাদের বিরুদ্ধে অবৈধ শক্তি প্রয়োগ বা হামলা হলে ‘সিদ্ধান্তমূলক’ জবাব দেওয়া হবে।

কূটনীতি বনাম হুমকি

চিঠিতে বলা হয়, ইরান এখনও কূটনৈতিক সমাধানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং তাদের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যে কোনো ‘অস্পষ্টতা’ দূর করতে প্রস্তুত। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রকে অবৈধ শক্তি প্রয়োগের হুমকি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়।

তবে সতর্কবার্তায় স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে—সামরিক হামলা হলে আত্মরক্ষার অংশ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সব ঘাঁটি, স্থাপনা ও সম্পদ লক্ষ্যবস্তু করা হবে।

ট্রাম্পের ১০ দিনের ইঙ্গিত

ওয়াশিংটন ডিসিতে বোর্ড অব পিসের উদ্বোধনী সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, পরমাণু চুক্তি না হলে “খারাপ কিছু” ঘটতে পারে। তিনি দাবি করেন, গত বছর ইরানের তিনটি পরমাণু স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র হামলা না চালালে তেহরানের হুমকি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা বাধাগ্রস্ত করত।

তার ভাষায়, “যুক্তরাষ্ট্রকে হয়তো এখন আরও এক ধাপ এগোতে হবে। না–ও হতে পারে। হয়তো একটি চুক্তি হবে। আগামী ১০ দিনের মধ্যেই সম্ভবত তা জানা যাবে।”

ট্রাম্পের এই মন্তব্য আসে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu-র কড়া সতর্কবার্তার পরপরই। নেতানিয়াহু বলেন, “যদি আয়াতুল্লাহরা ভুল করে আমাদের ওপর আক্রমণ করে, তাহলে এমন জবাব দেওয়া হবে যা তারা কল্পনাও করতে পারবে না।”

আঞ্চলিক নিরাপত্তা সমীকরণ

ইরান–যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা নতুন নয়। তবে সাম্প্রতিক পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আবারও অস্থিতিশীল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পারমাণবিক কর্মসূচি ঘিরে সন্দেহ, আঞ্চলিক মিত্রদের ভূমিকা এবং সামরিক উপস্থিতি—সব মিলিয়ে কূটনৈতিক পথ কতটা কার্যকর হয়, সেটিই এখন মূল প্রশ্ন।

বিশ্লেষকদের মতে, আগামী ১০ দিন পরিস্থিতির গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। কূটনৈতিক অগ্রগতি না হলে উত্তেজনা আরও বাড়ার ঝুঁকি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

তথ্যসূত্র: TRT World

সর্বশেষ সংবাদ

প্রতিহিংসার রাজনীতির অবসান, নাকি রাষ্ট্র পুনর্গঠনের সূচনা?

সুফি সাগর সামস বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। দীর্ঘ কয়েক দশকের সংঘাতমুখী রাজনীতি, ক্ষমতার পালাবদলের সঙ্গে প্রতিশোধের সংস্কৃতি,...

শিরোনাম: চীন-মিয়ানমার করিডরে যুক্ত হলে ২৪ ঘণ্টায় চীনে পৌঁছাবে বাংলাদেশের পণ্য: বাণিজ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট চীন-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডরে বাংলাদেশ যুক্ত হলে মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ট্রাকে করে বাংলাদেশ থেকে চীনে পণ্য পৌঁছানো সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী...

জাবির বাজেট ৩৪৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা, গবেষণায় বরাদ্দ শূন্য

স্টাফ রিপোর্টার | জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৩৪৮ কোটি ৭০ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট। শনিবার (২৭ জুন) সন্ধ্যায়...

বিশ্বকাপ জিতবে রোনালদোর পর্তুগাল’—ঘানার পুরোহিতের চাঞ্চল্যকর দাবি

স্পোর্টস ডেস্ক: ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এক চাঞ্চল্যকর ও বিতর্কিত ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন ঘানার আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব নানা কোয়াকু বোনসাম। তার দাবি, আগামী বিশ্বকাপে...

বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে অতিরিক্ত জনপ্রতি ১ হাজার টাকা ট্যাক্সের প্রস্তাব

অনলাইন ডেস্ক ঢাকা: বিয়ের অনুষ্ঠানে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে অতিরিক্ত প্রত্যেক অতিথির জন্য এক হাজার টাকা করে সরকারি ট্যাক্স আরোপের প্রস্তাব দিয়েছেন লক্ষ্মীপুর-১ আসনের...

জনপ্রিয় সংবাদ