অনলাইন ডেস্ক

ভারতের জাতীয় মুদ্রা রুপি চলতি বছর এক অসাধারণ দরপতনের মধ্য দিয়ে এগিয়েছে এবং বর্তমানে এটি এশিয়ার সবচেয়ে দুর্বল মুদ্রার অবস্থানে পৌঁছেছে। চলতি বছরের শুরু থেকে রুপি ইতিমধ্যেই ৫.৩ শতাংশ অবমূল্যায়িত হয়েছে, যা ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ বার্ষিক পতনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রুপির মূল্যহ্রাসের প্রধান কারণ হিসেবে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্রের ভারতীয় আমদানি পণ্যের উপর আরোপিত ৫০ শতাংশ শুল্ক। শুল্কের এই কঠোর প্রভাব ভারতীয় রপ্তানি খাত ও বৈদেশিক বিনিময় হারে চাপ সৃষ্টি করেছে, যার ফলে রুপির মান ব্যাপকভাবে কমেছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্য চুক্তি হলে রুপির অবমূল্যায়ন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হতো। এই চুক্তি এখনও চূড়ান্ত হয়নি, যা মুদ্রার স্থিতিশীলতার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।
রুপির এ পতন শুধুমাত্র ভারতের অর্থনীতির জন্য নয়, বরং এশিয়ার বাজারের জন্যও তা সতর্কবার্তা হিসেবে ধরা হচ্ছে। মুদ্রার দুর্বলতা আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি ত্বরান্বিত করা এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমাতে পারে।
বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে, ভারতের অর্থনৈতিক নীতিমালায় দ্রুত সমন্বয় এবং সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করা না হলে, রুপির দরপতন আরও গভীরতর হতে পারে।


