অনলাইন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিনের পরমাণু নিয়ন্ত্রণ চুক্তি নিউ স্টার্ট শেষ হওয়ায় বিশ্বে নতুন ধরনের পারমাণবিক প্রতিযোগিতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ২০১০ সালে স্বাক্ষরিত এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের পারমাণবিক ওয়ারহেড ১,৫৫০টির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছিল। যদিও ২০২১ সালে এর মেয়াদ ৫ বছর বাড়ানো হয়েছিল, বর্তমানে কোনো নতুন চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার হাতে বিশ্বের প্রায় ৯০ শতাংশ পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে। এখন চুক্তি না থাকায় দুই দেশই তাদের ইচ্ছামতো পারমাণবিক শক্তি বৃদ্ধির পথ খুঁজছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, কেবল রাশিয়ার সঙ্গে নয়, চীনকেও এই নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর আওতায় আনা জরুরি। চীনের পারমাণবিক সক্ষমতা ২০৩৫ সালের মধ্যে ১,৫০০টির কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রাশিয়া বেলারুশে ছোট আকারের যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহারযোগ্য পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন করেছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, বড় ধরনের যুদ্ধের বদলে এখন ছোট ও বিধ্বংসী পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা বেড়ে গেছে। ইউরোপের দেশগুলোও নিরাপত্তা হীনতায় পড়েছে, বিশেষ করে মার্কিন প্রতিরক্ষা অঙ্গীকার কমে আসার প্রেক্ষাপটে।
বিশ্ব যদি দ্রুত নতুন আলোচনার টেবিলে না ফেরে, তবে একটি অসংযত ও বিপজ্জনক পারমাণবিক প্রতিযোগিতার যুগে প্রবেশের সম্ভাবনা প্রবল।
সূত্র: আরটি


