স্পোর্টস রিপোর্টার

ঢাকার ফুটবলপাড়ায় ফের জ্বলে উঠেছে লাতিন আমেরিকার ঐতিহ্যবাহী শত্রুতা—আর্জেন্টিনা বনাম ব্রাজিল। এএফবি লাতিন বাংলা সুপার কাপ ফুটবলকে কেন্দ্র করে দু’দেশের নামী দুই ক্লাব এখন ঢাকায়। মাঠে নামার আগেই উত্তেজনা ছড়িয়েছে চারদিকে।
টুর্নামেন্টে অংশ নিতে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের দুই ক্লাব দল ঢাকায় পৌঁছানোর পর থেকেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে তাদের পারস্পরিক শীতল সম্পর্ক। আন্তর্জাতিক ফুটবলে দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা যেন ঢাকায় এসেও বদলায়নি। অনুশীলন মাঠে দেখা হলেও দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে সৌজন্য বিনিময় ছিল সীমিত—ঠিক যেন আন্তর্জাতিক ম্যাচের উত্তাপই বহন করে এনেছেন তারা।
আজ সন্ধ্যায় বাংলাদেশ–ব্রাজিল ম্যাচ
টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা।
আজ সন্ধ্যা ৭টায় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে স্বাগতিক বাংলাদেশ খেলবে ব্রাজিলিয়ান ক্লাবের বিপক্ষে।
বাংলাদেশ দল স্থানীয় দর্শকের সমর্থনকে শক্তি হিসেবে দেখছে, অন্যদিকে ব্রাজিলিয়ান কোচ জানিয়েছেন—“ঢাকার পরিবেশ নতুন হলেও খেলাটা মাঠেই নির্ধারিত হবে, আর ব্রাজিল মানেই জয়ের লক্ষ্য।”
সোমবার বাংলাদেশ–আর্জেন্টিনা ম্যাচ
আগামী সোমবার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও আর্জেন্টিনা ক্লাব দল।
বাংলাদেশের তরুণ ফরোয়ার্ডদের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে আর্জেন্টাইন দলের পজেশন-ভিত্তিক ফুটবল। ম্যাচটিকে ঘিরেও ইতিমধ্যে টিকিট নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।
১১ ডিসেম্বর মহারণ: আর্জেন্টিনা–ব্রাজিল
লাতিন আমেরিকার ক্লাসিকো সবসময়ই আলাদা মাত্রা যোগ করে।
১১ ডিসেম্বর ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে হবে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রতীক্ষিত ম্যাচ—আর্জেন্টিনা বনাম ব্রাজিল।
দুই দলই ম্যাচটিকে “গর্বের লড়াই” হিসেবে দেখছে। শোনা যাচ্ছে, আর্জেন্টাইন কোচ দলকে প্রতিপক্ষের ওপরে চাপ বাড়ানোর কৌশল শিখাচ্ছেন, আর ব্রাজিলীয়রা অনুশীলনে বারবার বলছেন—“এটাই আমাদের মূল ম্যাচ।”
দর্শক উন্মাদনা তুঙ্গে
স্টেডিয়ামের বাইরে টিকিট কাউন্টারে লম্বা লাইন, সামাজিক মাধ্যমে ভক্তদের বাকযুদ্ধ, শহরের বিভিন্ন এলাকায় পতাকা—প্রতিটি দৃশ্য যেন মনে করিয়ে দিচ্ছে বিশ্বকাপ মৌসুমের কথা।
ঢাকার ফুটবলপ্রেমীরা বলছেন—আর্জেন্টিনা–ব্রাজিলকে সামনে রেখে তারা এমন উত্তেজনা বহুদিন দেখেননি।


