আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ওয়াশিংটন: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছেন, যা দেশকে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিতে পারে। তবে তার প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন, ভোটারদের অর্থনৈতিক উদ্বেগের দিকে বেশি মনোযোগ দেওয়াই এখন প্রধান রাজনৈতিক অগ্রাধিকার।
ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে বিশাল সামরিক বাহিনী মোতায়েন করেছেন এবং ইরানের উপর কয়েক সপ্তাহব্যাপী বিমান হামলার প্রস্তুতির নির্দেশ দিয়েছেন। তবে প্রেসিডেন্ট এখনো জনসাধারণকে বিস্তারিতভাবে জানাননি কেন তিনি ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর থেকে সবচেয়ে আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছেন।
হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেছেন, “ট্রাম্পের যুদ্ধবাজ বক্তব্য সত্ত্বেও, ইরানের ওপর আক্রমণ চালানোর জন্য প্রশাসনের মধ্যে এখনও কোনো ঐক্যবদ্ধ সমর্থন নেই।” এই কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এই তথ্য দিয়েছেন।
ট্রাম্পের সহকর্মীরা বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন যে, ভোটারদের কাছে অর্থনৈতিক বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ, এবং কোনো অস্পষ্ট বার্তা নির্বাচনের আগে বিপদ ডেকে আনতে পারে। হোয়াইট হাউসের উপদেষ্টা এবং রিপাবলিকান প্রচারণা কর্মকর্তারা প্রেসিডেন্টকে নির্বাচনী প্রচারণায় অর্থনীতির উপর মনোযোগ দিতে আহ্বান জানিয়েছেন।
নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টি যদি উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারায়, তবে তা ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতিত্বের শেষ বছরগুলোকে চ্যালেঞ্জিং করে তুলতে পারে। রিপাবলিকান কৌশলবিদ রব গডফ্রে সতর্ক করেছেন যে, ইরানের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত ট্রাম্প এবং তার সহকর্মী রিপাবলিকানদের জন্য উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক বিপদ ডেকে আনতে পারে।
সূত্র: রয়টার্স


