অনলাইন ডেস্ক

আগামীকাল শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর। ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ২০ দলের এই বৈশ্বিক ক্রিকেট আসর। টুর্নামেন্টটি মার্চের শুরু পর্যন্ত চলবে এবং দুই দেশের একাধিক ভেন্যুতে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
তবে টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচকে ঘিরে তৈরি হয়েছে বড় বিতর্ক। বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে ভারতের বিপক্ষে গ্রুপপর্বের ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান।
পাকিস্তানের বয়কট সিদ্ধান্ত
পাকিস্তান সরকার ও ক্রিকেট বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দলটি বিশ্বকাপে অংশ নিলেও ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলবে না। পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ জানিয়েছেন, বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানাতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ নিরাপত্তা উদ্বেগ দেখিয়ে ভারতে ম্যাচ খেলতে না চাওয়ায় আইসিসি তাদের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করে। এই সিদ্ধান্তকে অন্যায় হিসেবে দেখছে পাকিস্তান।
শ্রীলঙ্কার উদ্বেগ ও অনুরোধ
এদিকে পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট (এসএলসি)। তাদের মতে, ভারত ম্যাচ বর্জন করলে শ্রীলঙ্কার বড় আর্থিক ক্ষতি হতে পারে এবং পর্যটন আয়েও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এসএলসি আরও স্মরণ করিয়ে দিয়েছে, অতীতে নিরাপত্তা উদ্বেগ থাকা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট পুনরুজ্জীবনে সহায়তা করতে শ্রীলঙ্কা পাকিস্তান সফর করেছিল। তাই ক্রিকেটের বৃহত্তর স্বার্থে পাকিস্তানকে ম্যাচটি খেলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
আইসিসির উদ্বেগ
আইসিসি জানিয়েছে, কোনো দল যদি বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে নির্বাচিতভাবে ম্যাচ খেলে, তাহলে তা টুর্নামেন্টের ন্যায়সংগত প্রতিযোগিতা ও ভারসাম্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
ভবিষ্যতে ভারত-পাকিস্তান মুখোমুখি?
গ্রুপপর্বে ম্যাচ না খেললেও নকআউট পর্বে দুই দল মুখোমুখি হতে পারে। সে ক্ষেত্রে সরকার ও বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে পাকিস্তান অধিনায়ক জানিয়েছেন।


