অনলাইন ডেস্ক

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা Ayatollah Ali Khamenei-এর মৃত্যুর পর দেশটির সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী অন্তর্বর্তী পরিষদ দায়িত্ব পালন শুরু করেছে। এই পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন বিচার বিভাগের প্রধান Gholam-Hossein Mohseni-Ejei।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা Islamic Republic News Agency (ইরনা) জানিয়েছে, দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বার্তায় মোহসেনি-ইজেই যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় মন্তব্য করেছেন।
‘মুজাহিদিনদের দৃঢ়তা ভাঙা যাবে না’
তার বার্তায় তিনি বলেন,
“যুক্তরাষ্ট্র মুসলিম জাতির কোলে বড় হওয়া মহান মুজাহিদিনদের দৃঢ় ইচ্ছাশক্তিকে এমন অপরাধের মাধ্যমে কখনোই ব্যাহত করতে পারবে না।”
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই মন্তব্যকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
শীর্ষ নেতৃত্ব আড়ালে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর থেকে ইরানের সংসদ, নির্বাহী বিভাগ ও বিচার বিভাগের প্রধানদের প্রকাশ্যে খুব কমই দেখা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক হামলায় তারাও লক্ষ্যবস্তু হয়ে থাকতে পারেন।
তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানায়নি তেহরান।
সংবিধানের ১১১ ধারা কী বলছে?
ইরানের সংবিধানের ১১১ ধারা অনুযায়ী, সর্বোচ্চ নেতার পদ শূন্য হলে নতুন নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত একটি অন্তর্বর্তী পরিষদ দায়িত্ব পালন করবে। এই পরিষদে থাকেন—
-
প্রেসিডেন্ট
-
বিচার বিভাগের প্রধান
-
গার্ডিয়ান কাউন্সিলের একজন ফকিহ (জুরি সদস্য)
এই পরিষদ সাময়িকভাবে সর্বোচ্চ নেতার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করে।
আঞ্চলিক উত্তেজনা তীব্রতর
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে ইরানের নেতৃত্বে এই পরিবর্তন পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পরিস্থিতির দিকে গভীরভাবে নজর রাখছে।
সূত্র: বিবিসি, ইরনা


