অনলাইন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই কুয়েতের প্রধান বিমানবন্দরে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই হামলায় কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একটি জ্বালানি ট্যাংক ও একটি সরকারি ভবনে আগুন ধরে যায়। তবে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে দেশটির ফায়ার সার্ভিস।
কুয়েত সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হামলার কিছুক্ষণ আগে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করে। পরে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেগুলো সফলভাবে ধ্বংস করে দেয়।
সরকারি বিবৃতিতে আরও বলা হয়, কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জ্বালানি সংরক্ষণ ট্যাংক এবং পাবলিক ইনস্টিটিউশন ফর সোশ্যাল সিকিউরিটির প্রধান ভবনে ড্রোন হামলার ফলে সেখানে আগুন ধরে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুই স্থানের আগুন নিয়ন্ত্রণ ও নির্বাপন করতে সক্ষম হন।
হামলায় হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কুয়েত কর্তৃপক্ষ।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক সংঘাতের প্রভাব এখন ক্রমশ উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানের ওপর যৌথভাবে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এরপরই পাল্টা হামলা শুরু করে ইরান।
এর জেরে ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। সাম্প্রতিক ড্রোন হামলার ঘটনাও সেই উত্তেজনারই অংশ বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পর্যবেক্ষকদের আশঙ্কা, এই সংঘাত যদি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে না আসে, তবে তা পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে বড় আকারের আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে।
সূত্র: আল–জাজিরা, মিডল ইস্ট আই


