অনলাইন ডেস্ক

থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল এক সপ্তাহের নতুন সীমান্ত সংঘর্ষ এবং দেশজুড়ে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে সংসদ ভেঙে দিয়েছেন। রবিবার (১১ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক রাজার ডিক্রিতে তিনি জানান, বর্তমান সংখ্যালঘু সরকারের পক্ষে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
প্রধানমন্ত্রী অনুতিন বলেন, “সংসদ ভাঙাই যথাযথ সমাধান, যা জনগণের কাছে রাজনৈতিক ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়ার একমাত্র উপায়।” এই ঘোষণার পর আগামী ৪৫ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে থাইল্যান্ডে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
ব্যবসায়ী-রাজনীতিক অনুতিন চার্নভিরাকুল ২০২৩ সালের আগস্টে তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব নেওয়ার সময় তিনি জানিয়েছিলেন, জানুয়ারির শেষের মধ্যে সংসদ ভাঙার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে অনাস্থা ভোটের মুখে পড়ার কারণে তিনি পূর্বনির্ধারিত সময়ের চেয়ে আগেই সংসদ ভাঙার ঘোষণা দিলেন।
শুক্রবারের ডিক্রিতে সীমান্তে প্রাণঘাতী সংঘর্ষ এবং রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জনগণের সামনে এই সিদ্ধান্ত নেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি থাইল্যান্ডের রাজনৈতিক দৃশ্যপটকে নতুন দিক দেবে এবং নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়তে পারে।


