
বিনোদন ডেস্ক | প্রকাশিত: ২৩ মার্চ ২০২৬ : ঈদুল ফিতরকে ঘিরে দেশের প্রেক্ষাগৃহগুলোতে আবারও দর্শক টানলেন ঢালিউডের শীর্ষ তারকা শাকিব খান। তার অভিনীত নতুন সিনেমা প্রিন্স: ওয়ানস আপন আ টাইম ইন ঢাকা মুক্তির পর থেকেই বক্স অফিসে রেকর্ড গড়ার পথে রয়েছে।
দর্শকের ঢল, হাউজফুল শো
মুক্তির প্রথম দিন থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। প্রযোজনা সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ঈদের তৃতীয় দিন পর্যন্ত অধিকাংশ শোই ছিল হাউজফুল। গত কয়েক বছরের মধ্যে এমন দর্শকসমাগম বিরল বলেও মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
সার্ভার জটিলতা ও শো বিলম্ব
তবে দর্শকের ব্যাপক উপস্থিতির মাঝেই কিছু প্রেক্ষাগৃহে সার্ভার জটিলতা এবং শো শুরুতে বিলম্বের অভিযোগ ওঠে। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কিছু দর্শক। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনা দেখা গেছে।
পরিচালকের প্রতিক্রিয়া
এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন চলচ্চিত্রটির পরিচালক আবু হায়াত মাহমুদ। তিনি সামাজিক মাধ্যমে চলমান সমালোচনাকে ‘অপপ্রচার’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
তার ভাষ্য অনুযায়ী,
“সিনেমা নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ এখন আকাশচুম্বী। প্রত্যেকটা শো হাউজফুল যাচ্ছে। কিছু নেতিবাচক প্রচারণা দর্শক গ্রহণ করেনি।”
তিনি আরও দাবি করেন,
- সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে প্রেক্ষাগৃহে সর্বোচ্চ ভিড় দেখা গেছে
- আয় বা কালেকশনের দিক থেকেও এটি একটি রেকর্ডধর্মী সূচনা
সিজি নিয়ে বিতর্ক
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সিনেমার সিজি (কম্পিউটার গ্রাফিক্স) নিয়ে সমালোচনার প্রসঙ্গেও কথা বলেন পরিচালক। তার অভিযোগ, কিছু গ্রুপ ইচ্ছাকৃতভাবে দৃশ্যের মান বিকৃত করে নেতিবাচক প্রচার চালাচ্ছে।
তবে তিনি এটাও স্বীকার করেন,
“কেউ সিনেমা দেখে ব্যক্তিগতভাবে ভালো না লাগলে সেই মতামতকে আমরা স্বাগত জানাই।”
শাকিব খানের সরাসরি তদারকি
চলচ্চিত্রটির সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সরাসরি যুক্ত রয়েছেন শাকিব খান নিজেও। প্রদর্শনী সংক্রান্ত জটিলতা দ্রুত সমাধানে তিনি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন বলে জানা গেছে।
সারসংক্ষেপ
- ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাটি বক্স অফিসে শক্ত অবস্থানে
- প্রেক্ষাগৃহে দর্শকের ব্যাপক উপস্থিতি
- সার্ভার সমস্যা ও বিলম্ব নিয়ে কিছু অভিযোগ
- পরিচালকের মতে, নেতিবাচক প্রচারণা পরিকল্পিত
- তারকার সরাসরি নজরদারি অব্যাহত
ঈদ মৌসুমে দেশীয় চলচ্চিত্রে দর্শকের এই বিপুল আগ্রহ ঢালিউড ইন্ডাস্ট্রির পুনরুজ্জীবনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও প্রদর্শনী ব্যবস্থাপনায় উন্নতি না হলে এই ইতিবাচক ধারা দীর্ঘস্থায়ী হওয়া কঠিন হতে পারে।


