অনলাইন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র South Pars Gas Field–এর একটি পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় বিমান হামলার ঘটনা ঘটেছে। ইরান দাবি করেছে, এ হামলা চালিয়েছে Israel।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা Fars News Agency এক টেলিগ্রাম বার্তায় জানায়, বুধবার ভোরে সংঘটিত হামলার পর সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় আগুন ধরে যায়। পরে উদ্ধারকারী দল ও ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।
প্রাথমিকভাবে কোনো হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
কাতারের নিন্দা ও উদ্বেগ
এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে Qatar। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি এক বিবৃতিতে বলেন, “বর্তমান সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এ ধরনের হামলা অত্যন্ত বিপজ্জনক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন পদক্ষেপ।”
তিনি উল্লেখ করেন, সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রটি কাতারের North Field–এর সম্প্রসারিত অংশ, যা দুই দেশের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি উৎস।
জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা
কাতারের পক্ষ থেকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা হলে তা শুধু আঞ্চলিক নিরাপত্তাই নয়, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপরও বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
মাজেদ আল-আনসারি বলেন, “গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা বিশ্ব জ্বালানি নিরাপত্তা, পরিবেশ এবং আঞ্চলিক জনগণের জন্য বড় হুমকি।”
সংযমের আহ্বান
পরিস্থিতি আরও অবনতি এড়াতে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে কাতার। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলা এবং উত্তেজনা প্রশমনে কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
প্রেক্ষাপট
বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত সাউথ পার্স–নর্থ ফিল্ড অঞ্চলটি ইরান ও কাতারের যৌথ গ্যাস সম্পদের কেন্দ্র। এ অঞ্চলে যেকোনো ধরনের সামরিক হামলা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
সূত্র: আল-জাজিরা


