
অন্তর্বর্তী সরকার কৌশলগতভাবে গণভোটের তারিখ জাতীয় নির্বাচনের সময়ের কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের। তিনি বলেন, সরকারের এই পদক্ষেপ দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের অভিযোগ করেছেন যে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সচেতনভাবে গণভোটের সময়সূচি পিছিয়ে দিয়ে সেটিকে জাতীয় নির্বাচনের তারিখের কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে। তার দাবি, এই ‘চালাকি’ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও জনগণের ভোটাধিকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে।
শনিবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য হলে এখানে যুক্ত হবে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাহের বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকার জনগণের মতামতকে সম্মান না করে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য নানা কৌশল অবলম্বন করছে। গণভোটের তারিখ পিছিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে তারা দেশের রাজনীতিতে বিভ্রান্তি তৈরি করতে চায়।”
তিনি আরও বলেন, “গণভোটের নামে সরকারের এই তৎপরতা মূলত ক্ষমতাকে বৈধতা দেওয়ার প্রচেষ্টা। জনগণের কাছে এসব কৌশল কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
জামায়াত নেতা সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, গণভোটের তারিখ ও প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্বচ্ছতা বজায় রাখার পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, গণভোট ও জাতীয় নির্বাচনের সময়সূচি কাছাকাছি চলে এলে তা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উত্তেজনার সৃষ্টি করতে পারে। বিরোধী দলগুলো ইতোমধ্যে সরকারের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে।
গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গন উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। একদিকে সরকার বলছে, গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষার অংশ হিসেবে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে; অন্যদিকে বিরোধী দলগুলো একে রাজনৈতিক প্রহসন হিসেবে দেখছে।


