
নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপি জনগণের ভোটে দায়িত্বে এলে ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ কিছু ইস্যুতে অগ্রাধিকার দেবে। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা ফারাক্কা ও তিস্তাসহ সীমান্ত নিরাপত্তা–সংক্রান্ত বিষয়গুলোকে বিএনপি রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে।
আজ শনিবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জে মহানন্দা নদীর ওপর নির্মিত রাবার ড্যাম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মির্জা ফখরুল জানান, দেশের নদীসমূহের ন্যায্য পানির হিস্যা আদায় এখন সময়ের দাবি। বিশেষ করে তিস্তা চুক্তি বহু বছর ধরে আলোচনার টেবিলে থাকলেও কোনো অগ্রগতি নেই। ফারাক্কা বাঁধের কারণে দেশের উত্তর–পশ্চিমাঞ্চলে নদী শুকিয়ে যাওয়া, পরিবেশ–বৈসাদৃশ্য সৃষ্টি হওয়া ও জীবিকায় কঠিন প্রভাব পড়ার বিষয়টিও নিয়মিত আলোচনায় আনবে বিএনপি।
তিনি আরও বলেন, সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা উদ্বেগজনক মাত্রা ছাড়িয়েছে। ক্ষমতায় এলে সীমান্তে হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনার বিষয়ে দৃঢ় অবস্থান নেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক পারস্পরিক সম্মান ও অধিকার রক্ষার ভিত্তিতে পরিচালিত হবে।
মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন, বাংলাদেশের ওপর ‘ভারতের দাদাগিরি’–মূলক আচরণ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সেক্টরে অনুভূত হচ্ছে। বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে একতরফা সিদ্ধান্ত বা চাপ প্রয়োগের প্রবণতা বন্ধ করতে কূটনৈতিকভাবে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করবে। তিনি বলেন, “আমাদের পররাষ্ট্রনীতি হবে—সমতা, ন্যায় ও পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক উন্নয়ন।”
বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্যে দলের ভবিষ্যৎ পররাষ্ট্রনীতি ও প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের অঙ্গীকার স্পষ্ট হয়ে ওঠে।


