নিজস্ব প্রতিবেদক
বাজারে পাঁচ দিন আগে বাড়ানো নতুন দরে বিক্রি হচ্ছে বোতলজাত ভোজ্যতেল। সয়াবিন তেলের এই বাড়তি দামের সঙ্গে তাল মিলিয়ে উচ্চ অবস্থানে রয়েছে পুরোনো পেঁয়াজের দামও। তবে বিপরীতে কমতে শুরু করেছে ডিম ও বেশির ভাগ শীতকালীন সবজির দাম।
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) রাজধানীর কারওয়ান বাজার, টাউন হল বাজার ও উত্তরা চৌরাস্তার কাঁচা বাজার ঘুরে দেখা গেছে—শীতের আগাম সবজির সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সরবরাহ বাড়ায় ফুলকপি, বাঁধাকপি, লাউ, শিম, মুলো, বেগুনসহ নানা সবজির দাম আগের তুলনায় ৫ থেকে ১৫ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে।
বিক্রেতাদের দাবি, সপ্তাহ দুয়েক আগেও সরবরাহ কম থাকায় দাম ছিল চড়া। তবে এখন মাঠ থেকে বেশি পরিমাণে পণ্য উঠতে শুরু করায় দাম কমার প্রবণতা তৈরি হয়েছে।
কারওয়ান বাজারের সবজি বিক্রেতা রফিকুল ইসলাম বলেন, “প্রতিদিনই সরবরাহ বাড়ছে। শীতের সবজি এখন প্রচুর আসছে। তাই দামও কমছে। চলতি মাসের শেষ দিকে আরও বেশি সরবরাহ পাওয়া যাবে, তখন দাম আরও কমবে।”
অন্যদিকে, ভোজ্যতেলের বাজারে তাৎপর্যপূর্ণ উন্নতি দেখা যাচ্ছে না। সাম্প্রতিক মূল্যবৃদ্ধির পর সয়াবিন তেল নতুন দরে—লিটারপ্রতি ৮ থেকে ১০ টাকা বেশি—বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে পুরোনো পেঁয়াজও কেজিপ্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে বলে জানান পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা।
ডিমের বাজারে অবশ্য স্বস্তির হাওয়া বইছে। খোলা ডিমের প্রতি ডজন ৫ থেকে ৭ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে। টাউন হল বাজারের এক বিক্রেতা বলেন, “খামারে উৎপাদন বাড়ছে। ফলে দাম কিছুটা কমেছে। আরও কমতে পারে।”
সব মিলিয়ে, বাজারে কিছু নিত্যপণ্যের দাম বাড়লেও সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি রাজধানীর ক্রেতাদের স্বস্তি দিচ্ছে। বিক্রেতাদের প্রত্যাশা, ডিসেম্বরের শেষ দিকে সবজির দাম আরও স্থিতিশীল হবে।


