অনলাইন ডেস্ক

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধন ও সময়, অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা ও জোটগত রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণে চারটি ছোট রাজনৈতিক দল মাত্র একজন করে প্রার্থী দিয়েছেন। এই দলগুলো হলো: বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (বাংলাদেশ ন্যাপ), গণতন্ত্রী পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) ও সদ্য নিবন্ধন পাওয়া বাংলাদেশ সমঅধিকার পার্টি।
বাংলাদেশ সমঅধিকার পার্টি সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধন পেয়েছে। তবে সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে তারা এবার মাত্র একজন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিতে পেরেছেন। দলটির চেয়ারম্যান সুশান্ত চন্দ্র বর্মন নিজেও নির্ধারিত সময়ের মাত্র দুই মিনিট দেরিতে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেননি। দলের একমাত্র প্রার্থী সুব্রত মণ্ডল খুলনা-১ আসনে লড়ছেন।
সুশান্ত চন্দ্র বর্মন বলেন, “নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার ১২ দিন পর আমরা নিবন্ধনের সনদ হাতে পেয়েছি। প্রায় ২৬ জন প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল, তবে শেষ দিনে সময়সীমা অতিক্রম হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি।”
বাংলাদেশ ন্যাপও শুধুমাত্র একটি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। দলটির মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া জানান, আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি নীলফামারী-১ আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাগপা এককভাবে নয়, ১০ দলীয় জোটের অংশ হিসেবে নির্বাচন করছে। দলটির সিনিয়র সহসভাপতি রাশেদ প্রধান জানান, হার্ট সার্জারির কারণে সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইকবাল হোসেন মনোনয়ন দিতে পারেননি।
গণতন্ত্রী পার্টি থেকেও কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে মাত্র একজন প্রার্থী দিলোয়ার হোসাইন ভূঁইয়া প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তিনি বলেন, “আমরা ছোট দল, আর এ বিষয় দল প্রধানই ব্যাখ্যা দিতে পারবেন।”
নির্বাচন ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ জেসমিন তুলি মন্তব্য করেছেন, “ছোট দলগুলোর বিস্তৃত সাংগঠনিক নেটওয়ার্ক নেই। তাই তারা সীমিত কিছু আসনে মনোযোগ দিতে পারে। এ ধরনের প্রবণতা পূর্বেও দেখা গেছে।”


