বৃহস্পতিবার, জুন ৪, ২০২৬

নিপাহ আতঙ্ক বিমানবন্দরগুলোতে কড়া নজরদারি, স্বাস্থ্য পরীক্ষা জোরদার

পাঠক প্রিয়

জুনের ভূ-রাজনীতি: বাংলাদেশের সামনে নতুন বাস্তবতার পরীক্ষা

দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার ভূ-রাজনীতি আবারও এক অস্থির সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছে। চলমান জুন মাসকে ঘিরে আঞ্চলিক কূটনীতি, সামরিক সমীকরণ,...

অনলাইন ডেস্ক

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্তের খবর ছড়িয়ে পড়তেই এশিয়ার একাধিক দেশের বিমানবন্দর ও সীমান্তে যাত্রী স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। থাইল্যান্ড, নেপাল ও তাইওয়ান কোভিড-১৯ মহামারির সময়কার মতো বিশেষ স্ক্রিনিং ব্যবস্থা পুনরায় চালু করেছে।

থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ থেকে আগত যাত্রীদের ব্যাংককের সুবর্ণভূমি, ডন মুয়াং ও ফুকেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জ্বর পরীক্ষা, উপসর্গ যাচাই এবং স্বাস্থ্যবিষয়ক সতর্কতা কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে। সন্দেহভাজন উপসর্গ থাকলে তাৎক্ষণিক আইসোলেশন ও চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

নেপালে ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ ভারতের সঙ্গে স্থল সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে স্ক্রিনিং ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সীমান্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের নিপাহ সংক্রান্ত বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং সন্দেহভাজন যাত্রীদের আলাদা করে পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে।

অন্যদিকে তাইওয়ান নিপাহ ভাইরাসকে সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক ‘ক্যাটাগরি–৫’ সংক্রামক রোগ হিসেবে তালিকাভুক্ত করার পরিকল্পনা করছে। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত ও ব্যবস্থাপনায় বিশেষ আইনি ও স্বাস্থ্যগত প্রোটোকল প্রযোজ্য হবে।

ভারতীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং আক্রান্তের সংখ্যা সীমিত। পশ্চিমবঙ্গে এখন পর্যন্ত মাত্র দু’জনের নিশ্চিত সংক্রমণের ঘটনা শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা কেরালা ও পশ্চিমবঙ্গকে নিপাহ-প্রবণ অঞ্চল হিসেবে উল্লেখ করে সতর্ক করেছেন, এই ভাইরাসের মৃত্যুহার ৪০ থেকে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। এখনো নিপাহের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো টিকা বা নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই, ফলে দ্রুত শনাক্তকরণ ও সহায়ক চিকিৎসাই প্রধান ভরসা।

নিপাহ সাধারণত প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হয়। বাদুড় ও শূকরের মাধ্যমে ভাইরাসটি মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে এবং পরে মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমণের ঝুঁকিও থাকে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) একে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ রোগজীবাণু হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাধারণ যাত্রীদের জন্য ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম হলেও অযথা আতঙ্ক নয়, বরং সতর্কতা, উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া এবং সরকারি নির্দেশনা মেনে চলাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র: বিবিসি, গালফ নিউজ, এনডিটিভি

সর্বশেষ সংবাদ

জুনের ভূ-রাজনীতি: বাংলাদেশের সামনে নতুন বাস্তবতার পরীক্ষা

দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার ভূ-রাজনীতি আবারও এক অস্থির সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছে। চলমান জুন মাসকে ঘিরে আঞ্চলিক কূটনীতি, সামরিক সমীকরণ,...

পশু কুরবানির সঙ্গে সঙ্গে আত্মিক কুরবানি করতে হবে : বিএইচপি

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঈদ মুবারক। দেশবাসীকে ঈদউল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছে বাংলাদেশ হিউম্যানিস্ট পার্টি-বিএইচপি। শুভেচ্ছা বার্তায় দলটি বলেছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক...

জ্বালানি খাত ‘দুষ্টচক্রে বন্দি’, ভাঙতে হবে অলিগার্কিক কাঠামো: তিতুমীর

নিজস্ব প্রতিবেদক দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত একটি ‘দুষ্টচক্রে’ বন্দি হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।...

নাহিদ রানার হুঙ্কার: ‘আমাকে বাউন্সার মারলে ছেড়ে কথা বলবো না’

অনলাইন ডেস্ক বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের তরুণ পেসার নাহিদ রানা সম্প্রতি দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন। গতি, বাউন্সার এবং আক্রমণাত্মক বোলিংয়ে জাতীয় দলের অন্যতম ভরসার নাম হয়ে...

জন আব্রাহামই কি হচ্ছেন নতুন জেমস বন্ড?

অনলাইন ডেস্ক বিশ্বজুড়ে সিনেমাপ্রেমীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু এখন—কে হচ্ছেন পরবর্তী জেমস বন্ড! সম্প্রতি Amazon MGM Studios আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়, জনপ্রিয় ‘০০৭’ ফ্র্যাঞ্চাইজির নতুন কিস্তির জন্য অডিশন প্রক্রিয়া...

জনপ্রিয় সংবাদ