অনলাইন ডেস্ক

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, নতুনভাবে, নতুন কৌশলে ও নতুন অবয়বে যেন কেউ স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে না পারে—সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে।
বুধবার রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি)-এর সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়।
রিজভী বলেন, গত দেড় দশকে দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ পায়নি। ভোটের উৎসবমুখর পরিবেশ ধ্বংস করে ভয়ভীতি ও আতঙ্কের সংস্কৃতি কায়েম করা হয়েছিল।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, সম্প্রতি কিছু রাজনৈতিক অশোভন ও উগ্র আচরণ পরিলক্ষিত হচ্ছে, যা ফ্যাসিবাদী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। বিশেষ করে ধর্মকে ব্যবহার করে যদি কোনো শক্তি স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে, তবে তা হবে আরও ভয়াবহ ও বিপজ্জনক।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে এক প্রার্থীর অশোভন আচরণের প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির এই নেতা বলেন, জনগণ সবকিছু গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। আগামী ১২ তারিখের ভোটের মাধ্যমেই জনগণ এর উপযুক্ত জবাব দেবে।
এ সময় তিনি বিগত বছরগুলোতে রাজনৈতিক নিপীড়নের সময় সাংবাদিকদের সাহসী ভূমিকার প্রশংসা করেন। রুহুল কবির রিজভী বলেন, গভীর রাতে নেতাকর্মীদের তুলে নেওয়ার মতো ঘটনাগুলো সাংবাদিকরা প্রকাশ করায় অনেকের জীবন রক্ষা পেয়েছে। পুলিশ অস্বীকার করলেও গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকার কারণে সত্য সামনে এসেছে।


