অনলাইন ডেস্ক

ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত থাকলেও চাপে পড়লে নিজেকে রক্ষা করবে বলে জানিয়েছে। খবর খালিজ টাইমস অনুযায়ী, ইরানের জাতিসংঘ মিশন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বার্তায় এই অবস্থান প্রকাশ করেছে। বার্তায় বলা হয়েছে, “পারম্পরিক সম্মান ও স্বার্থের ভিত্তিতে আলোচনার জন্য আমরা প্রস্তুত। তবে চাপ দিলে কঠোরভাবে প্রতিহত করব।”
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অব্যাহত হুমকি ও মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি কূটনৈতিক উত্তেজনা তীব্র করছে। মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছে গেছে এবং সামরিক মহড়াও শুরু হয়েছে। স্থানীয় গণমাধ্যম বলছে, চলতি সপ্তাহে ইরানে সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন গণমাধ্যম এক্সিওস জানিয়েছে, তেহরান আলোচনায় আগ্রহী। ট্রাম্পের একটি সাক্ষাৎকারে বলা হয়েছে, ইরান বহুবার যোগাযোগ করেছে এবং আলোচনায় যেতে চায়। এক মার্কিন শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ওয়াশিংটনও আলোচনার জন্য উন্মুক্ত; তবে তেহরান যদি যোগাযোগ করে ও শর্ত মেনে নেবে, কূটনৈতিক সমাধান সম্ভব।
সংস্থাগুলোর বরাত দিয়ে বলা হচ্ছে, সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে চুক্তি আদায়ের চেষ্টা করছেন ট্রাম্প। তবে তার ঘনিষ্ঠ পরামর্শদাতারা মনে করছেন, সামরিক হুমকি বাড়ালে পরিস্থিতি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
যদি ইরানের সঙ্গে কোনো কূটনৈতিক চুক্তি হয়, তবে তেহরানকে কঠোর শর্ত মানতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের সব মজুত ধ্বংস, দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সীমিত করা এবং মধ্যপ্রাচ্যে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন বন্ধ করা। তবে এই বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি।


