সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৩

স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে বিতর্ক অমূলক অপরাজনীতি মাত্র

বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চ পরোক্ষভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছিলেন

পাঠক প্রিয়

কিম-পুতিন সম্মেলনের তাৎপর্য

  --- এম এ হোসাইন  গত ১৩ই সেপ্টেম্বর, উত্তর কোরিয়ার নেতা চেয়ারম্যান কিম জং উন বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাস সংকট পরবর্তী তার...
ড. সুফি সাগর সামস্
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জেনারেল জিয়াউর রহমানের জীবদ্দশায় কোনো বিতর্ক ছিল না। কিন্তু জেনারেল জিয়ার মৃত্যুর পর থেকে এই ঘোষণা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক হয়ে আসছে অব্যাহতভাবে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় যে, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান রাইফেলস এর ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা-মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা করেন। এই ঘোষণা প্রথমে মুজিবনগর সরকার অনুমোদন করে, পরে তা ১৯৭২ সালের সংবিধানে বিধানকৃত করা হয়। বঙ্গবন্ধুই বাংলাদেশের স্বাধীনতা-মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণাকারী। ২৭ মার্চ মেজর জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম জেলার কালুরঘাট অস্থায়ী বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে বঙ্গবন্ধুর ঘোষণাপত্র ঘোষণার মতো করে নিজ কন্ঠে ঘোষণা করেছিলেন। এর পূর্বে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ভাষণের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু পরোক্ষভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। ৭ মার্চের ভাষণ এক অভূতপূর্ব কৌশলী ভাষণ ছিল। বঙ্গবন্ধু তাঁর ভাষণে বলেছেন, ‘আমি যদি হুকুম দিবার না-ও পারি, তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে। রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরও দেবো, তবুও এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব, ইনশাল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা’।
বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চ পরোক্ষভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছিলেন। যদিও ওই ঘোষণা প্রত্যক্ষ কিংবা আনুষ্ঠানিক ছিল না। কিন্তু স্বাধীনতা-মুক্তিযুদ্ধ ঘোষণার অবশিষ্ট কিছুই ছিল না। ৭ মার্চের ১৯ মিনিটের ভাষণ একটি ঐতিহাসিক ভাষণ। ওই দিন রেসকোর্স ময়দানে উপাস্থিত জনতার হৃদয়ের উদ্বেলিত-উচ্ছ্বসিত আবেগ সারা বংলার মানুষের অন্তরে উত্তাল তরঙ্গের ঢেউ তুলেছিল। এখনো ওই ভাষণ বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে ঘুমিয়ে থাকা স্বাধীনতা-মুক্তিযুদ্ধের চেতনা জাগ্রত করে। ৭ মার্চ ভাষণ দেওয়ার পূর্বে বঙ্গবন্ধু বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং ছাত্রলীগ নেতাদের সাথে মতবিনিময় করেছিলেন। তখন ছাত্রলীগের মধ্যে দুটি গ্রুপ ছিল। স্বাধীনতার ঘোষণাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে প্রচন্ড বিতর্ক হয়েছিল। সিরাজুল আলম খান এর সমর্থকরা চেয়েছিল বঙ্গবন্ধু ‘জনগণপ্রজাতন্ত্রী’ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করবেন আর ছাত্রলীগের সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকীর সমর্থিতরা চেয়েছিল স্বাধীনতার ঘোষণা থাকবে, কিন্তু বিচ্ছিন্নতাবাদের অপপ্রচার যাতে কেউ করতে না পারে সেদিকটা বিবেচনায় রাখতে হবে।
বিশেষজ্ঞরা বলেন যে, ৭ মার্চ যদি সরাসরি স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া হতো তাহলে বাঙালি জাতির স্বাধীনতার সলিল-সমাধি রেসকোর্স ময়দানেই হয়ে যেতো। পাকিস্তানী সামরিক জান্তা রেসকোর্স ময়দানেই আক্রমন করতো।  নিশ্চিহ্ন করে দিত বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার সংগ্রাম। বঙ্গবন্ধু এটা আগেই আঁচ করতে পেরেছিলেন। এ কারণেই তিনি সেখানে সরাসরি স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি। তবে ওই ভাষণের মধ্য দিয়ে তিনি কৌশলে সবকিছু ঘোষণা করেছিলেন। ৭ মার্চ যে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন তা স্বাধীনতাকামী সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ মর্মে মর্মে অনুভব করেছিলেন। মেজর জিয়াউর রহমান বলেছেন যে, ৭ মার্চের ভাষণ ছিল আমাদের (বাঙালি সেনাবাহিনী) মুক্তিযুদ্ধের গ্রীণ সিগন্যাল। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি থেকে দাবি করা হয় যে, মেজর জিয়াউর রহমান ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে কালুরঘাট অস্থায়ী বেতার কেন্দ্র থেকে প্রথম স্বাধীনতার ঘোষণা করেন। এ জন্য তারা মিছিল-মিটিংয়ে জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া বলে স্লোগান দেন। তারা স্লোগানে বলেন, ‘স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া লও লও লও সালাম’।
২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস। এই স্বাধীনতা দিবস পালনে কোনো বিতর্ক নেই। তবে স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক বিরাজমান রয়েছে। বঙ্গবন্ধুর ২৬ মার্চের ঘোষণাপত্রকে স্বাধীনতাযুদ্ধে নেতৃত্ব প্রদানকারী মুজিবনগর সরকার অনুমোদন দিয়েছিল। এ কারণে ওই দিনটি স্বাধীনতা দিবস হিসেবে স্বীকৃতিলাভ করেছে। এ জন্যই ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান রাইফেলস এর ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণার ভয়েস রেকর্ড প্রচার করা হয়। ঘোষণাটি ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে প্রচার হওয়ায় তখন তা ব্যাপক জনগোষ্ঠী শুনতে পায়নি। কারণ, ওই বিশেষ সময়টি রেডিও শোনার সময় ছিল না। ওই সময় অধিকাংশ মানুষ ঘুমিয়ে থাকে। স্বাধীনতাকামী মুক্তিপাগল বাঙালি ও বিশ্ববাসীকে অবহিত করার জন্য বঙ্গবন্ধুর ওই ঘোষণাপত্র ব্যাপকভাবে প্রচার করার প্রয়োজন ছিল। এ জন্য ওই ঘোষণাপত্র চট্টগ্রামে প্রেরণ করা  হয়েছিল। চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে মেজর জিয়াউর রহমান ওই ঘোষণাটি ববঙ্গবন্ধুর পক্ষে নিজ কন্ঠে ঘোষণা করেছিরেন। কিন্তু একটি রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ঘোষণা করার জন্য বিভিন্ন নিয়ম ও রীতি-নীতি অনুসরণ করতে হয়। মুজিবনগর সরকার তা যথাযথভাবে প্রতিপালন করেছিল। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা প্রথমে সরকার গঠন করেছিল। তারপর ওই সরকার বঙ্গবন্ধুর ওই স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অনুমোদন দিয়েছিল। এরপর স্বাধীনবাংলা বেতারকেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ওই ঘোষণাপত্র ঘোষণা করা হয়েছিল। এ জন্যই ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়।
১৯৭১ সালে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দীন আহমদ ভারত সীমান্তে যাওয়ার পূর্বে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে বিদায় সাক্ষাৎ করেছিলেন। এ সময় তিনি বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র এবং একটি টেপ রেকর্ডার সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন। তার উদ্দেশ্য ছিল যে, ওই ঘোষণাপত্রে বঙ্গবন্ধুর স্বাক্ষর এবং টেপ রেকর্ডারে বঙ্গবন্ধুর ভয়েস রেকর্ড করে নেবেন। তারপর সুবিধামতো সময়ে স্বাধীনতা ঘোষণার বঙ্গবন্ধুর ওই ভয়েস রেকর্ড বেতারের মাধ্যমে প্রচার করবেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধু ওই ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেননি এবং ভয়েস রেকর্ড দেননি। বঙ্গবন্ধু নাকি বলেছিলেন যে, তাঁর কন্ঠে স্বাধীনতার ঘোষণা  করা হলে পাকিস্তান সরকার তাঁর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা করবে। বিচারের নামে তাঁকে ফাঁসিতে ঝুঁলিয়ে হত্যা করবে। বঙ্গবন্ধু নাকি এই ভয়ে তাজউদ্দীন আহমদের লেখা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেন নি এবং ভযেস রেকর্ড দেননি। এ জন্য তাজউদ্দীন আহমদ ক্ষুব্ধ হন যে, বঙ্গবন্ধু এতটুকু ঝুঁকি নিতে চান না! এরূপ অবস্থায় তিনি মনোকষ্ট নিয়ে বঙ্গবন্ধুর নিকট থেকে বিদায় নিয়েছিলেন।
তাজউদ্দীন আহমদের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে অনেক বুদ্ধিজীবী বঙ্গবন্ধুকে ভুল বুঝে আছেন। ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে তৎকালীন ইপিআর এর ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে প্রচারিত বঙ্গবন্ধুর ওই স্বাধীনতার ঘোষণা নিজ কানে না শোনার কারণে তারা ওই ঘোষণা প্রচারের বিষয়কে সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখেন। তারা মনে করেন যে, ওই ঘোষণার বিষয়টি কল্পিত, আওয়ামী লীগের তৈরী গল্প। প্রমাণ হিসেবে তারা তাজউদ্দীন আহমদের ওই ঘটনাকে সম্মুখে নিয়ে আসেন। তারা প্রশ্নাকারে ভাবেন যে, বঙ্গবন্ধু যদি স্বাধীনতার ঘোষণাই দেবেন তাহলে তাজউদ্দীন আহমদের লেখা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করলেন না কেন? তাকে ভয়েস রেকর্ড দিলেন না কেন? অনেকের মতো এই প্রশ্ন আমার মনেও ঘুরপাক খেয়েছিল দীর্ঘদিন। কিন্তু আমি যখন ঘটনার গভীরে প্রবেশ করেছি, তখন দেখি যে, বিষয়টির বাস্তবচিত্র অত্যন্ত সুগভীর। মহান ব্যক্তিদের চিন্তা-চেতনাও মহান হয়। আমার মতো ক্ষুদ্র ও সাধারণ মানুষের মতো নয়। সুতরাং বঙ্গবন্ধুর চিন্তা-চেতনা তো মহান হবেই। তিনি তো সবসময় নিজের জীবনের নিরাপত্তার চেয়ে সর্বাগ্রে জনগণের নিরাপত্তার বিষয়টি বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।
তাজউদ্দীন আহমদের জীবন বিপন্ন হোক কিংবা তিনি কোনো বিপদের মুখোমুখী হন সেটা বঙ্গবন্ধু চাননি। তিনি চেয়েছেন যে তাঁর প্রাণপ্রিয় তাজউদ্দীন যাতে নিরাপদে নিশ্চিন্তে ভারত সীমান্তে যেতে পারেন। সেখানে গিয়ে তিনি যাতে তার প্রতি অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারেন। স্বাধীনতা-মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিতে পারেন। তাঁর প্রাণের বাঙালি জাতিকে পরাধীনতা থেকে মুক্তি দিতে পারেন। বাংলাদেশকে স্বাধীন করতে পারেন।
বঙ্গবন্ধুর আশঙ্কা ছিল যে, তাজউদ্দীন আহমদ ভারত সীমান্তে যাওয়ার পথে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী কিংবা তাদের এদেশীয় দালালদের হাতে ধরা পরতে পারেন। তিনি যদি বঙ্গবন্ধুর ভয়েস রেকর্ডসহ ধরা পরেন তাহলে তার মৃত্যু নিশ্চিত। সুতরাং তাজউদ্দীন আহমদ যাতে নিরাপদে সীমান্তে পৌছতে পারেন সেই ব্যবস্থা করতে হবে সবার আগে। এই চিন্তা থেকেই বঙ্গবন্ধু তাজউদ্দীন আহমদকে ভয়েস রেকর্ড দেননি। এখানে প্রশ্ন করা যেতে পারে, ভয়েস রেকর্ড ছাড়া যদি তাজউদ্দীন আহমদ ধরা পরতেন তাহলে কী তাকে হত্যা করা হতো না? অবশ্যই হত্যা করা হতো। তবে তখন অনেকেই ধরা পরার পরও ছাড়া পেয়েছিলেন। এই সুযোগ তাজউদ্দীন আহমদের ভাগ্যেও হতে পারতো। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর ভয়েস রেকর্ডসহ ধরা পড়লে নিশ্চিতভাবে তাকে হত্যা করা হতো। এ ছাড়া তাকে বন্দী করে বাঙালি জাতির অপূরণীয় ক্ষতি করতে পারতো। বঙ্গবন্ধু ও তাজউদ্দীনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা করে দু’জনকে বিচারের নামে ফাঁসিতে ঝুঁলিয়ে হত্যা করতে পারতো। সুতরাং বঙ্গবন্ধু তাজউদ্দীন আহমদকে ভয়েস রেকর্ড না দিয়ে একজন প্রজ্ঞাবান মহান নেতার পরিচয় দিয়েছেন।
এ ছাড়া স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার আরো একাধিক নিরাপদ বিকল্প ব্যবস্থা যদি বঙ্গবন্ধুর কাছে থাকে তাহলে তিনি কেন অহেতুক ঝুঁকি নিতে যাবেন? তৎকালীন ইপিআর এর ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে স্বাধীনতার ঘোষণা প্রচার করার নিরাপদ ব্যবস্থা বঙ্গবন্ধুর কাছে ছিল। কিন্তু গোপনীয়তা নিষ্কন্টক করার জন্য তখন তিনি তাজউদ্দীন আহমদের কাছে তা প্রকাশ করেন নি। যেটা পরবর্তীতে তাজউদ্দীন আহমদ গভীরভাবে অনুধাবন করেছিলেন। এ কারণেই তিনি মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বঙ্গবন্ধুর ওই স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র মন্ত্রীসভায় অনুমোদন দিয়েছিলেন।
মুক্তিযুদ্ধকালীন যে যা কিছু করেছে তা মুজিবনগর সরকারের অধীনেই করেছে। মেজর জিয়াউর রহমানও মুজিবনগর সরকারের অধীনে মুক্তিযুদ্ধ করেছেন। মুজিবনগর সরকারই তাকে সেক্টর কমান্ডারের দায়িত্ব দিয়েছিল। তিনি মুজিবনগর সরকারের অধীনেই যুদ্ধ করেছিলেন। এ জন্য মুক্তিযুদ্ধের দায়ভার ছিল মুজিবনগর সরকারের ওপর। মুজিবনগর সরকার যা কিছু করেছে রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার দায়ভার ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুবিবুর রহমানের ওপর। এ জন্য মুজিবনগর সরকার এবং ওই সরকারের অধীনে যারা যুদ্ধ করেছিলেন তারা সকলেই ছিলেন বঙ্গবন্ধুর অনুরাগী ও পরম আপনজন। তখন প্রতিটি বাঙালির শিরা-উপশিরায় মন ও মননে ধ্বনি-প্রতিধ্বনি হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর ওই হৃদয় বিদির্ণ করা মুক্তির আহ্বান, ‘তোমাদের যা কিছু আছে, তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে; এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, জয় বাংলা’।
(ড. সুফি সাগর সামস্, মহাসচিব, বাংলাদেশ হিউম্যানিস্ট পার্টি-বিএইচপি। www.bhpbd.org)

সর্বশেষ সংবাদ

ফিলিস্তিনিদের পূর্ণ অধিকার ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি হবে না

ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস বৃহস্পতিবার বলেছেন, ফিলিস্তিনিরা তাদের বৈধ অধিকার পুরোপুরি উপভোগ না করতে পারলে মধ্যপ্রাচ্যে কোন শান্তি হবে...

কিম-পুতিন সম্মেলনের তাৎপর্য

  --- এম এ হোসাইন  গত ১৩ই সেপ্টেম্বর, উত্তর কোরিয়ার নেতা চেয়ারম্যান কিম জং উন বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাস সংকট পরবর্তী তার প্রথম বিদেশ ভ্রমণ শুরু করেন।...

ভারতকে হারিয়ে এশিয়া কাপ শেষ করলো বাংলাদেশ

দুর্দান্ত ব্যাটিং-বোলিং নৈপুন্যে জয় দিয়ে এশিয়া কাপ শেষ করলো বাংলাদেশ। আজ সুপার ফোর পর্বের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ ৬ রানে হারিয়েছে আগেই ফাইনাল নিশ্চিত করা...

এ্যাসোসিয়েশন অব রেডিও লিসেনার্স ক্লাব গঠিত

গঠিত হলো বাংলাদেশের বেতার শ্রোতা ক্লাব প্রতিনিধিদের নিয়ে এ্যাসোসিয়েশন অব রেডিও লিসেনার্স ক্লাব বাংলাদেশ (এআরএলসিবি) এক আনন্দঘন, উৎসবমুখর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ঢাকায় "এ্যাসোসিয়েশন অব রেডিও...

ঢাকা-দিল্লী সম্পর্ক আরও জোরদারে শেখ হাসিনা-মোদির ঐকমত্য

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আজ একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে উভয় দেশের মধ্যে বিদ্যমান গভীর সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং একই সঙ্গে...

জনপ্রিয় সংবাদ

সিভি এবং চাকুরী আবেদনের কিছু প্রয়োজনীয় টিপস

মানবসম্পদ বিভাগে কাজ করার বদৌলতে প্রতিনিয়ত নিত্য নতুন অভিজ্ঞতার সম্মুখে পরতে হয়। যার অধিকাংশই আসে সিভিকে কেন্দ্র করে। আমি সিরিজ আকারে সিভি এবং ক্যারিয়ার...

মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে তুরাগ থানা ছাত্রলীগ

তুরাগ থানা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ আরিফ হাসান জানায়, গত ১১-০৮-২০২০ তারিখে ’আমার প্রাণের বাংলাদেশ’ নামক পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে ‘রাজধানীর উত্তরা যুবলীগ নেতা নাজমুল হাসান...

 ফিনান্সিয়াল অ্যাসোসিয়েট পদে নিয়োগ জোরদার করলো মেটলাইফ বাংলাদেশ

ফিনান্সিয়াল অ্যাসোসিয়েট হিসেবে যোগদানে আগ্রহী প্রার্থীদের জন্য ডিজিটাল নিয়োগ প্ল্যাটফর্ম উন্মোচন করেছে মেটলাইফ বাংলাদেশে। অনন্য এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম আগ্রহী প্রার্থীদেরকে বাসা থেকেই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে...

২৩ কোটি বছরের পুরনো হিরকখণ্ড উদ্ধার!

দেখতে কি সুন্দর হিরকখণ্ডটি । শুক্রবার রাশিয়ার অ্যানাবার নদীর ধারে আলরোসার এবেলিয়াখ খনি থেকে উদ্ধার হয় এই হিরক খণ্ডটি। এখনও স্থির হয়নি হিরকখণ্ডটি পালিশ...