
যে নারী স্বামীর হতে পারে না, সে কারও হয় না-শুধুই সবার খেলনা হয়ে যায়! সে কারও হয় না—শুধুই সবার খেলনা হয়ে যায়!
আপনি কি জানেন, একজন নারীর সবচেয়ে বড় পরিচয় কী? সে কারও প্রেমিকা নয়, কারও বান্ধবী নয়, কারও সহকর্মীও নয়—তার সবচেয়ে বড় পরিচয় হলো সে একজনের স্ত্রী।
স্ত্রী মানে আশ্রয়, স্ত্রী মানে বিশ্বাস, স্ত্রী মানে প্রতিশ্রুতির নাম। কিন্তু যে নারী সেই প্রতিশ্রুতির দেয়াল ভেঙে অন্য কারও বাহুতে আশ্রয় খোঁজে, সে আসলে নিজের পরিচয়টাই মাটিতে গুঁড়িয়ে ফেলে।
একবার ভেবে দেখুন— যে নারী নিজের স্বামীর প্রতি বিশ্বস্ত থাকতে পারে না, সে কি সত্যিই অন্য কারও কাছে সম্মান পাবে?
যে নারী স্বামীর বিছানায় শুয়ে থেকেও পরের পুরুষের স্বপ্ন দেখে, তাকে কি কখনও “পবিত্র” বলা যায়? যে নারী নিজের সন্তানদের চোখে নিজের সম্মান নষ্ট করে, সে আসলে কোন সম্পর্কেই নিরাপদ থাকতে পারে?
সত্যিটা হলো—পরকীয়ার প্রথম কিছু মুহূর্ত হয়তো রঙিন মনে হয়। নিষিদ্ধ স্পর্শ, গোপন কথাবার্তা, একধরনের উত্তেজনা। কিন্তু সেই উত্তেজনা খুব দ্রুত ফুরিয়ে যায়। তারপর কী থাকে? থাকে শুধু অপরাধবোধ, সামাজিক লজ্জা আর এক জীবন্ত লাশ ।
আপনার প্রেমিক আপনাকে সত্যিকারের ভালোবাসে না, সে আপনাকে শুধু ব্যবহার করে।
আপনি তার কাছে নতুন খেলনা, নতুন রোমাঞ্চ। আপনার শরীর পুরনো হয়ে গেলে, সে অন্য খেলনা খুঁজে নেবে। তখন আপনি কী হবেন? আপনার স্বামী আপনাকে আর গ্রহণ করবে না। সমাজ আপনাকে নষ্ট চরিত্রের নারী বলবে। সন্তান আপনাকে ঘৃণার চোখে দেখবে।
মনে রাখবেন—
যে নারী নিজের স্বামীর হতে পারে না, সে আসলে কারও হতে পারে না। সে শুধু কারও কিছু সময়ের বিনোদন হয়, কারও শরীরের ক্ষুধা মেটানোর মাধ্যম হয়। অবশেষে তার ভাগ্যে থাকে একা হয়ে যাওয়া, অবহেলিত হয়ে যাওয়া, আর সারাজীবন অন্যের খেলনা হিসেবে বেঁচে থাকা।
আজ আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে শেষ প্রশ্নটা করুন— আপনি কি সত্যিই স্ত্রী, নাকি কেবল কারও ক্ষণিকের বিনোদনের খেলনা?
লেখা এর ভিতরে কি বাস্তবতা আছে জানাবেন কমেন্টে।
খাজা জাহেদুল আল মুজাহিদ এর ফেসবুক থেকে সংগৃহীত


