লাইফস্টাইল ডেস্ক

শীত শেষের দিকে হলেও ত্বকের শুষ্কতা এখনো অনেকের জন্য বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময়ে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমে যাওয়ায় অনেকেই প্রাকৃতিক উপায়ে ত্বকের যত্ন নিতে আগ্রহী হচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে অলিভ অয়েল বা জলপাই তেল।
প্রাচীন সৌন্দর্যচর্চার ইতিহাসেও জলপাই তেলের ব্যবহার দেখা যায়। লোককাহিনি অনুযায়ী, মিসরের রানি ক্লিওপেট্রাও নিয়মিত সৌন্দর্যচর্চায় জলপাই তেল ব্যবহার করতেন বলে প্রচলিত আছে। আধুনিক গবেষণাতেও দেখা গেছে, জলপাই তেলে থাকা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ত্বক সুস্থ রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।
প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে জলপাই তেল
বিশেষজ্ঞদের মতে, জলপাই তেলে থাকা উপকারী ফ্যাটি অ্যাসিড ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বক নরম, মসৃণ ও টানটান থাকতে পারে। শুধু উজ্জ্বলতা বাড়ানোই নয়, ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা বজায় রাখতেও এটি কার্যকর বলে মনে করা হয়।
নিয়মিত ব্যবহারে সম্ভাব্য উপকার
জলপাই তেল নিয়মিত ব্যবহারে যেসব উপকার পাওয়া যেতে পারে—
-
ত্বকের নিস্তেজ ভাব কমিয়ে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করতে পারে
-
দাগছোপ হালকা করতে ভূমিকা রাখতে পারে
-
ব্ল্যাকহেডস ও হোয়াইটহেডস পরিষ্কার করতে সহায়ক হতে পারে
-
এতে থাকা ভিটামিন ই ও পলিফেনল ত্বকের জন্য উপকারী উপাদান হিসেবে কাজ করতে পারে
যেভাবে ব্যবহার করবেন
ফেসপ্যাকের সঙ্গে: যেকোনো ফেসপ্যাকে কয়েক ফোঁটা জলপাই তেল মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট পর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
গোসলের পানিতে: গোসলের পানিতে কয়েক ফোঁটা জলপাই তেল মিশিয়ে নিলে শরীরের শুষ্কতা কমাতে সহায়তা করতে পারে।
সিরামের মতো ব্যবহার: খুব অল্প পরিমাণ হাতে নিয়ে হালকা চাপে মুখে লাগাতে পারেন। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক কোমল ও আর্দ্র রাখতে সাহায্য করতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, যাদের ত্বক অতিরিক্ত সংবেদনশীল বা ব্রণপ্রবণ, তাদের নতুন কিছু ব্যবহারের আগে ত্বকের ছোট অংশে পরীক্ষা করে নেওয়া ভালো।


