বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১৬, ২০২৬

দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় ক্ষমতার ভারসাম্য সৃষ্টি হওয়া একান্ত আবশ্যক : সুফি সাগর সামস্

পাঠক প্রিয়

আমানতকারীদের সুরক্ষায় ‘আমানত সুরক্ষা বিল, ২০২৬’ পাস

অনলাইন ডেস্ক আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষা এবং দেশের আর্থিক খাতে দীর্ঘমেয়াদি আস্থা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে জাতীয় সংসদে ‘আমানত সুরক্ষা বিল,...

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি আলোচনা শুরু

অনলাইন ডেস্ক পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত উচ্চপর্যায়ের আলোচনা শুরু হয়েছে। শনিবার বিকেলে Islamabad-এ এ বৈঠকের আনুষ্ঠানিক...

সংকট আতঙ্কে জ্বালানি মজুত: বাসা হয়ে উঠছে ‘ঝুঁকির পেট্রোলপাম্প’

বিশেষ প্রতিবেদন মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এর প্রভাব এসে পড়েছে বাংলাদেশেও। তবে বাস্তবে জ্বালানি সরবরাহে...

হামের প্রাদুর্ভাব: ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত ১৬৯

অনলাইন ডেস্ক দেশে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক আকার ধারণ করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর...

জামায়াতে ইসলামীকে অবলম্বন করতে হবে মহানবীর সংবিধান ‘মদিনা সনদ’ : ড. সুফি সাগর সামস্

সার্বজনীন স্থায়ী শান্তি, ভ্রাতৃত্ব, নিরাপত্তা, মানবাধিকার, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থায় মদিনা সনদ এর বিকল্প নেই। মদিনা সনদ পৃথিবীর...

মহানবী রসূলে করিম (স) এর বদর যুদ্ধের আল-বদর বাহিনী আর পাকিস্তানের সহযোগী আল-বদর বাহিনী এক নয়। বদর যুদ্ধের আল-বদর বাহিনী অবলা নিরিহ নারীদের ধর্ষণ করেনি। তারা বদর যুদ্ধে সাহাবিদের (রা) সাথে কাফির-বেদ্বীনদের বিরুদ্ধে জিহাদ করেছিল, মাতৃভূমি মদিনাকে রক্ষা করেছিল।

বদর যুদ্ধের সহযোগী অমুসলিম যোদ্ধাদের নাম ছিল আল-বদর বাহিনী। তাদের নামের অনুকরণে পাকিস্তানি সহযোগী বাহিনীর নামকরণ করা হয়েছিল আল-বদরবাহিনী। তাদের এই নামকরণের অসৎ উদ্দেশ্যের জবাবে বলতে হয়, বাংলাদেশের বাঙালি মুসলমানরা কাফির-বেদ্বীন ছিল না, তারা ছিল খাঁটি ঈমানদার মুসলমান। যেভাবে নবীজি (স) এর নেতৃত্বে সাহাবি মুজাহিদরা কাফির-মুশরিকদের কবল থেকে লড়াই করে তাদের মাতৃভূমি মদিনাকে রক্ষা করেছিল, একইভাবে বাংলাদেশের মুসলমানরা নিজেদের মাতৃভূমি বাংলাদেশকে জীবন দিয়ে লড়াই করে রক্ষা করেছিল। যেভাবে কাফির-বেদ্বীনরা মক্কা থেকে মদিনায় গিয়ে মুসলমানদের আক্রমন করেছিল। একইভাবে পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীও পশ্চিম পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে এসে বাঙালি মুসলমানদের আক্রমন করেছিল। তাদেরকে নির্মম-নিষ্ঠুরতার সাথে হত্যা করেছিল, ধর্ষণ করেছিল, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ করেছিল। তাদের ওই বর্বরতায় যোগদান করেছিল তাদের মিত্র আল-বদর বাহিনী।

মহানবী রসূলে করিম (স) এর সাহাবিদের ন্যায় বাঙালি মুসলমানরা তাদের ওই বর্বরতা প্রতিহত করেছিল স্বসস্ত্র আক্রমনের মধ্য দিয়ে। সুতরাং যুদ্ধাপরাধী আল-বদর বাহিনীর সদস্যদের মুসলিম মুজাহিদ বলার পূর্বে সারাবিশ্বের মুসলমানদের এসব বিষয়ে ভাবতে হবে এবং চিন্তা-ভাবনা করে মন্তব্য করতে হবে। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ কোনো ছেলেখেলা ছিল না!

জামায়াতে ইসলামী কোনো ইসলামিক রাজনৈতিক সংগঠন নয়। বর্তমানে ইসরাইলের ইয়াহুদিরা যেভাবে ইসলামী স্টেট (আইএস) সন্ত্রাসী সংগঠন সৃষ্টি করেছে, একইভাবে মুসলমানদের সামাজিক ও রাজনৈতিক সংস্কৃতি ধ্বংস করার জন্য ১৯৪১ সালে ভারতের ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সরকার মাওলানা আবুল আলা মওদুদীকে জীবননাশের হুমকি দিয়ে তার মাধ্যমে ভারতবর্ষে জামায়াতে ইসলামী প্রতিষ্ঠা করেছিল। জামায়াতে ইসলামী ইয়াহুদিদের ষড়যন্ত্রের ফসল। সুতরাং এ সংগঠনকে কখনোই ইসলামী সংগঠন বলে চিন্তা কিংবা এ সংগঠনের নেতাদের মুসলিম মুজাহিদ লকবে ভূষিত করা ইসলামসম্মত হবে না।

বিশ্বের মুসলমানদের আরো ভাবতে হবে যে, দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতার ভারসাম্য সৃষ্টি হওয়া একান্ত আবশ্যক। ক্ষমতার ভারসাম্য সৃষ্টি করতে না পারলে এ অঞ্চলের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জান-মালের নিরাপত্তা এবং মানুষের সুখ ও সমৃদ্ধি কখনই ফিরে আসবে না। বরোঞ্চ যতটুকু বর্তমানে আছে তা-ও বিনষ্ট হয়ে যাবে। এ বিষয়টি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মর্মে মর্মে উপলব্ধি করেছিলেন। এ জন্যই তিনি এ অঞ্চলে ক্ষমতার ভারসাম্য সৃষ্টির জন্য উদ্যোগগ্রহণ করেছিলেন। এ কারণেই তিনি ভারতকে অগ্রাহ্য করে ১৯৭২ সালে পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসি সম্মেলনে যোগদান করেছিলেন। এ সম্মেলনেই পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর এ উদ্যোগের অংশহিসেবে তখন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টো বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন। বঙ্গবন্ধু তাঁকে উচ্ছসিতভাবে স্বাগত জানিয়েছিলেন, ইউটিউবে প্রচারিত ধারণকৃত ভুট্টোর আগমনের ভিডিওটি তাই বলে দেয়।

১৯৭৪ সালের ৫ থেকে ৯ এপ্রিল ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ভারতের নয়াদিল্লীতে। এ সম্মেলনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সরণ সিং ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আজিজ আহমদ নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। দিল্লীর এ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের ১৯৫ জন শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীকে মুক্তি দিয়েছিলেন। এ শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদের মুক্তি দেয়ার পেছনেও ছিল ওই একই উদ্দেশ্য। নতুন প্রেক্ষাপটে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের সাথে নতুন করে সুসম্পর্ক স্থাপন করতে চেয়েছিলেন। কারণ, দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক এবং বিশেষ করে ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এ অঞ্চলের ক্ষমতার ভারসাম্য সৃষ্টির বিকল্প নেই। দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় ক্ষমতার ভারসাম্য সৃষ্টি করতে হলে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যকার সুসম্পর্কেরও বিকল্প নেই।

বর্তমানের প্রেক্ষাপটে দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় ক্ষমতার ভারসাম্য সৃষ্টি করতে হলে বঙ্গবন্ধুর পদাঙ্ক অনুসরণ করতে হবে। তাঁর ওই রাজনৈতিক চিন্তা-চেতনার কোনো বিকল্প নেই। পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে মুসলিম ভ্রাতৃত্বময় সম্পর্ক সৃষ্টি করতে হবে। দুদেশের জনগণের মধ্যে সুসম্পর্ক সৃষ্টি হলে বাংলাদেশসহ দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার ছোট ছোট রাষ্ট্রগুলোর ওপর থেকে ভারতের মাত্রারিক্ত প্রভাব দূর হয়ে যাবে। পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে মুসলিম ভ্রাতৃত্বময় সম্পর্ক সৃষ্টির জন্য বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাকান্ডের পর এই হত্যাকান্ড নিয়ে বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে যে মিথ্যা প্রপাগান্ডা ছড়ানো হয়েছে আর এ মিথ্যাচারের দরুণ বিএনপি এবং আওয়ামী লীগের মধ্যে যে হিংসা-প্রতিহিংসার রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রচলিত হয়েছে, তা বিলুপ্ত করতে হবে।

১৫ আগস্টের হত্যাকান্ড নিয়ে বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে যে, মিথ্যা প্রপাগান্ডা বিরাজমান রয়েছে তা দূর করা গেলেই ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারী যে আস্থা, বিশ্বাস আর মুসলিম ভ্রাতৃত্বের বন্ধনের ওপর দাঁড়িয়ে পাকিস্তান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নি:শর্তভাবে মুক্তি দিয়েছিল, বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে পাকিস্তানের জনগণের প্রতি সেই আস্থা এবং বিশ্বাস ফিরে আসবে। পাকিস্তান ও বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে মুসলিম ভ্রাতৃত্বময় প্রীতির সম্পর্ক সৃষ্টি হলেই কেবলমাত্র দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় ক্ষমতার ভারসাম্য সৃষ্টি হতে পারে, অন্যথায় নয়। কিন্তু বাংলাদেশের সাথে যাতে পাকিস্তানের সকল প্রকার সম্পর্ক রাষ্ট্রীয়ভাবে বিনষ্ট হয়ে যায়, সে অপচেষ্টা নিরলসভাবে চলছে।

বাংলাদেশের কিছু অতি উৎসাহী রাজনৈতিক শিশুসুলব আচরণের ব্যক্তি অজ্ঞতাবশত: নিজেদের অজান্তে আত্মঘাতী এই অশুভ কর্মে লিপ্ত রয়েছেন। তাদের শুরে সুর মিলিয়ে এক শ্রেণির বুদ্ধিজীবি, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, রাজনৈতিক, সামরিক এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তাও তবলা বাজিয়ে চলেছে। নিজেদেরে অজান্তে নিজেদের পায়ে কুড়াল মারছে অব্যাহতভাবে। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সম্পর্ক বিনষ্ট করে চলেছে। তারা সফলতাও লাভ করছে। তাদের এ সফলতার দরুণ দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার ছোট ছোট রাষ্ট্রগুলোর উন্নয়ন তথা বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, জনগণের জান-মালের নিরাপত্তার সংসয় চরমপন্থা জঙ্গিবাদ পাকাপোক্ত হচ্ছে।

বাংলাদেশের জনগণ ও বিশ্বের মুসলমানদের সতর্কতার সাথে লক্ষ্য করতে হবে যে, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালীন বঙ্গবন্ধু ভারতকে নিরাপদ মনে করেননি। তিনি পাকিস্তানকে নিরাপদ মনে করেছিলেন। বিচক্ষণতার সাথে লক্ষ্য করুন, মুক্তিযুদ্ধ শুরুর পূর্বে বঙ্গবন্ধু তার পরিবার-পরিজনকে ভারতের নিরাপত্তায় স্থানান্তর করেননি, মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস তারা বাংলাদেশে পাকিস্তানের নিরাপত্তায়ই ছিলেন।

২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তান বঙ্গবন্ধুকে পশ্চিম-পাকিস্তানে গ্রেফতার (নিরাপত্তায়) করে নিয়ে গেলেও তারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেনি। ইচ্ছা করলেই তারা তখন বঙ্গবন্ধুকে জুডিসিয়াল কিলিং করতে পারত, কিন্তু তারা তা করেনি। তারা ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারী সম্পূর্ণ নি:শর্তভাবে বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দিয়েছিল। তখন যদি পাকিস্তানের ক্ষমতায় বঙ্গবন্ধু নিজেও থাকতেন, তাহলে তিনি শর্ত দিয়ে বলতেন যে, আমাদের সৈন্যদের ছেড়ে দাও, আমরা তোমাদের নেতাকে ছেড়ে দেব। পাকিস্তান এমন শর্তও দেয়নি। পূর্বেই বলেছি, দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় ক্ষমতার ভারসাম্য সৃষ্টি করতে হলে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের জনগণের মধ্যে ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার বিকল্প নেই। এটা বঙ্গবন্ধু খুব ভালো করেই জানতেন। বঙ্গবন্ধুর এ রাজনৈতিক চিন্তা-চেতনা বাস্তবায়ন না হলে দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর জনগণ নির্যাতিত নিষ্পেষিত হতেই থাকবে। তাদের উন্নয়ন, সুখ, সমৃদ্ধি অন্ধকারেই রয়ে যাবে।

সুফি সাগর সামস্
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ হিউম্যানিস্ট পার্টি-বিএইচপি।

 

 

সর্বশেষ সংবাদ

যুদ্ধবিরতির মাঝেই ইরানকে উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা দিচ্ছে চীন—মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য

অনলাইন ডেস্ক ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেই তেহরানকে নতুন করে উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহের প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন—এমন তথ্য...

হামের প্রাদুর্ভাব: ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত ১৬৯

অনলাইন ডেস্ক দেশে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক আকার ধারণ করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এতে গত ১৫...

কাতারে ইরানের জব্দ সম্পদ ছাড়তে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে কাতারসহ বিভিন্ন দেশে আটকে থাকা ইরানের জব্দকৃত অর্থ ছাড়তে সম্মত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। যদিও...

সংকট আতঙ্কে জ্বালানি মজুত: বাসা হয়ে উঠছে ‘ঝুঁকির পেট্রোলপাম্প’

বিশেষ প্রতিবেদন মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এর প্রভাব এসে পড়েছে বাংলাদেশেও। তবে বাস্তবে জ্বালানি সরবরাহে বড় কোনো সংকট না থাকলেও,...

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি আলোচনা শুরু

অনলাইন ডেস্ক পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত উচ্চপর্যায়ের আলোচনা শুরু হয়েছে। শনিবার বিকেলে Islamabad-এ এ বৈঠকের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম Al...

জনপ্রিয় সংবাদ